লংমার্চে আসা জামায়াতের দুই নেতাকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০১:১২:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫২৮ বার পড়া হয়েছে
সিরাজগঞ্জের সয়দাবাদ এলাকায় ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখী লংমার্চে আসা জামায়াতে ইসলামীর দুই নেতাকে ছুরিকাঘাত করে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরের পর যমুনা সেতুর পশ্চিম মহাসড়কের পাশে সয়দাবাদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন সয়দাবাদ ইউনিয়ন জামায়াতের সাবেক আমির আব্দুস সবুর এবং জামায়াতের কর্মী নুরুন্নবী।
আহত নেতার অবস্থা গুরুতর
জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আহতদের মধ্যে আব্দুস সবুরের অবস্থা গুরুতর। প্রথমে তাকে সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
জামায়াতের জেলা সহকারী সেক্রেটারি শহিদুল ইসলাম বলেন, লংমার্চের গাড়িবহর যমুনা সেতু পার হয়ে সয়দাবাদ এলাকা দিয়ে চলে যাওয়ার পর আব্দুস সবুর জোহরের নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হন। এ সময় কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা করেন।
তার দাবি, হামলায় আব্দুস সবুরের দুই হাত, পা ও পিঠে আঘাত লাগে।
বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ
জামায়াতের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিকের নেতৃত্বে কয়েকজন বিএনপি নেতাকর্মী এ হামলা করেন। এতে বিএনপির কর্মী হাসান, আল আমিন ও পারভেজ জড়িত ছিলেন বলেও দাবি করেছে দলটি।
শহিদুল ইসলাম আরও বলেন, সকাল থেকেই একটি দল লংমার্চের গাড়িবহরে হামলার চেষ্টা করছিল। জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা তা প্রতিরোধ করায় বড় ধরনের ঘটনা ঘটেনি। তবে গাড়িবহর চলে যাওয়ার পর লংমার্চে আসা ব্যক্তিদের ওপর বিচ্ছিন্নভাবে হামলা করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
পুলিশের বক্তব্য
অভিযোগের বিষয়ে জানতে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিকের মুঠোফোনে কল করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।
সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান বলেন, ঘটনাটি পুলিশ শুনেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


























