কুশিয়ারা ও সোমেশ্বরী নদীর পানি বিপদসীমার ওপরে, বন্যার শঙ্কা
- আপডেট সময় : ০১:১৭:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
- / ১৫৫২ বার পড়া হয়েছে
অতিবৃষ্টি ও উজানের ঢলে কুশিয়ারা ও সোমেশ্বরীর নদীর পানি তিনটি পয়েন্টে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। একইসঙ্গে আগামী দুই দিন চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ অবস্থায় সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতির শঙ্কা এবং নওগাঁসহ দেশের কয়েকটি জেলার নিম্নাঞ্চল নতুন করে প্লাবিত হওয়ার সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানায়, কুশিয়ারা নদী সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার ও সুনামগঞ্জের মারকুলিতে ২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া সোমেশ্বরী নদী নেত্রকোণার কলমাকান্দায় ৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
বন্যা সতর্কতায় বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় এসব নদী কিছু স্থানে বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে। এতে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে অথবা বিদ্যমান বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হতে পারে।
রাজশাহী বিভাগের আত্রাই নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে ফলে নওগাঁ জেলার নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
চট্টগ্রাম বিভাগের বান্দরবান, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার সাঙ্গু, মাতামুহুরী নদী কিছু স্থানে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে। এতে এসব এলাকার নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
ব্রহ্মপুত্র নদের পানি সমতল স্থিতিশীল থাকলেও যমুনা ও গঙ্গা-পদ্মার পানি বাড়ছে। আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদী কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইল জেলার কিছু স্থানে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে এবং এসব এলাকার সংলগ্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে।
























