০৫:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকায় ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর যাত্রাবিরতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৫:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৩৪ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে বাংলাদেশে পৌনে এক ঘণ্টার যাত্রাবিরতি করেছেন। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাকে বহনকারী একটি ফ্লাইট হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। পরে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য বিমানবন্দরে অবস্থান শেষে তিনি ঢাকার উদ্দেশ্য ত্যাগ করেন।

দুপুরে ঢাকায় অবতরণের পর ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান। এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।

দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে বিমানবন্দরে অবতরণ

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাঠানো বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, শুক্রবার দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে শেরিং তোবগেকে বহনকারী ফ্লাইটটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

বিমানবন্দরে নামার পর ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। এ সময় দুই দেশের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

পরে প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা ঢাকায় অবস্থান করে শেরিং তোবগেকে বহনকারী ফ্লাইটটি গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

দুই মাসে ভুটানের শীর্ষ নেতৃত্বের দ্বিতীয় যাত্রাবিরতি

প্রায় দুই মাসের মধ্যে ভুটানের শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ঢাকায় এটি দ্বিতীয় যাত্রাবিরতির ঘটনা। এর আগে গত ২৬ আগস্ট ভোরে ঢাকায় যাত্রাবিরতি করেছিলেন ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগে ওয়াংচুক।

সেসময় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভুটানের রাজাকে স্বাগত জানিয়েছিলেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার ওই যাত্রাবিরতিও ছিল সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য।

বাংলাদেশ-ভুটান যোগাযোগে গুরুত্ব

শেরিং তোবগের এবারের ঢাকা যাত্রাবিরতি দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের ধারাবাহিকতার একটি ঘটনা। ভুটানের রাজা ও প্রধানমন্ত্রীর মতো শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিদের সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকায় যাত্রাবিরতি দুই দেশের পারস্পরিক যোগাযোগের বিষয়টি সামনে এনেছে।

বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। বাণিজ্য, যোগাযোগ, পর্যটন, শিক্ষা ও আঞ্চলিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করছে।

এবারের যাত্রাবিরতিতে দুই দেশের মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠক বা দ্বিপক্ষীয় কর্মসূচির তথ্য জানানো হয়নি। ফলে এটি মূলত ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটের সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি হিসেবেই অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তবে মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে ভুটানের রাজা ও প্রধানমন্ত্রীর ঢাকায় যাত্রাবিরতির ঘটনা দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের ধারাবাহিকতার দিকটি তুলে ধরছে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ঢাকায় ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর যাত্রাবিরতি

আপডেট সময় : ০৪:৪৫:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে বাংলাদেশে পৌনে এক ঘণ্টার যাত্রাবিরতি করেছেন। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাকে বহনকারী একটি ফ্লাইট হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। পরে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য বিমানবন্দরে অবস্থান শেষে তিনি ঢাকার উদ্দেশ্য ত্যাগ করেন।

দুপুরে ঢাকায় অবতরণের পর ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান। এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।

দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে বিমানবন্দরে অবতরণ

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাঠানো বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, শুক্রবার দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে শেরিং তোবগেকে বহনকারী ফ্লাইটটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

বিমানবন্দরে নামার পর ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। এ সময় দুই দেশের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

পরে প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা ঢাকায় অবস্থান করে শেরিং তোবগেকে বহনকারী ফ্লাইটটি গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

দুই মাসে ভুটানের শীর্ষ নেতৃত্বের দ্বিতীয় যাত্রাবিরতি

প্রায় দুই মাসের মধ্যে ভুটানের শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ঢাকায় এটি দ্বিতীয় যাত্রাবিরতির ঘটনা। এর আগে গত ২৬ আগস্ট ভোরে ঢাকায় যাত্রাবিরতি করেছিলেন ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগে ওয়াংচুক।

সেসময় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভুটানের রাজাকে স্বাগত জানিয়েছিলেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার ওই যাত্রাবিরতিও ছিল সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য।

বাংলাদেশ-ভুটান যোগাযোগে গুরুত্ব

শেরিং তোবগের এবারের ঢাকা যাত্রাবিরতি দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের ধারাবাহিকতার একটি ঘটনা। ভুটানের রাজা ও প্রধানমন্ত্রীর মতো শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিদের সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকায় যাত্রাবিরতি দুই দেশের পারস্পরিক যোগাযোগের বিষয়টি সামনে এনেছে।

বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। বাণিজ্য, যোগাযোগ, পর্যটন, শিক্ষা ও আঞ্চলিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করছে।

এবারের যাত্রাবিরতিতে দুই দেশের মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠক বা দ্বিপক্ষীয় কর্মসূচির তথ্য জানানো হয়নি। ফলে এটি মূলত ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটের সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি হিসেবেই অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তবে মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে ভুটানের রাজা ও প্রধানমন্ত্রীর ঢাকায় যাত্রাবিরতির ঘটনা দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের ধারাবাহিকতার দিকটি তুলে ধরছে।