০৫:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জামালপুরে পাচারকালে ২৩ বস্তা সার জব্দ

ফজলে এলাহী মাকাম, জামালপুর
  • আপডেট সময় : ০৪:৩২:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫২৭ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় পাচারের সময় ২৩ বস্তা ডিএপি সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার মেরুরচর ইউনিয়নের টুপকারচর গ্রামে অভিযান চালিয়ে এসব সার জব্দ করা হয়।

উপজেলা প্রশাসনের অভিযানকালে একটি ভ্যান থেকে ২৩ বস্তা ডিএপি সার উদ্ধার করা হয়। পরে জব্দ করা সারগুলো বকশীগঞ্জ থানায় নিয়ে পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান

স্থানীয় সূত্র ও উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বকশীগঞ্জ উপজেলা থেকে বিপুল পরিমাণ সার ভ্যানযোগে ইসলামপুর উপজেলায় পাচার করা হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদ পায় উপজেলা প্রশাসন। খবর পাওয়ার পর রাতেই সংশ্লিষ্ট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

রাত আনুমানিক ৩টার দিকে মেরুরচর ইউনিয়নের টুপকারচর এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় একটি ভ্যানে থাকা ২৩ বস্তা ডিএপি সার জব্দ করা হয়। তবে অভিযানের সময় ভ্যানচালক বা সংশ্লিষ্ট অন্য কেউ আটক হয়েছেন কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।

পুলিশের হেফাজতে জব্দ করা সার

অভিযানের পর জব্দ করা ২৩ বস্তা ডিএপি সার বকশীগঞ্জ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে সারগুলো পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।

প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, জব্দ করা সারগুলো বৈধভাবে পরিবহন করা হচ্ছিল কি না এবং এগুলো কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

উৎস ও পাচারের বিষয়ে তদন্ত

বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন বলেন, জব্দ করা সারগুলো কোথা থেকে আনা হয়েছে, তা জানার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে সারগুলো কোথায় নেওয়া হচ্ছিল এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, সে বিষয়েও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কৃষি উৎপাদনের গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ হওয়ায় সারের অবৈধ পরিবহন ও পাচার ঠেকাতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে সারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং কৃষকের কাছে নির্ধারিত ব্যবস্থায় সার পৌঁছানো নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান চালানো হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জামালপুরে পাচারকালে ২৩ বস্তা সার জব্দ

আপডেট সময় : ০৪:৩২:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় পাচারের সময় ২৩ বস্তা ডিএপি সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার মেরুরচর ইউনিয়নের টুপকারচর গ্রামে অভিযান চালিয়ে এসব সার জব্দ করা হয়।

উপজেলা প্রশাসনের অভিযানকালে একটি ভ্যান থেকে ২৩ বস্তা ডিএপি সার উদ্ধার করা হয়। পরে জব্দ করা সারগুলো বকশীগঞ্জ থানায় নিয়ে পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান

স্থানীয় সূত্র ও উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বকশীগঞ্জ উপজেলা থেকে বিপুল পরিমাণ সার ভ্যানযোগে ইসলামপুর উপজেলায় পাচার করা হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদ পায় উপজেলা প্রশাসন। খবর পাওয়ার পর রাতেই সংশ্লিষ্ট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

রাত আনুমানিক ৩টার দিকে মেরুরচর ইউনিয়নের টুপকারচর এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় একটি ভ্যানে থাকা ২৩ বস্তা ডিএপি সার জব্দ করা হয়। তবে অভিযানের সময় ভ্যানচালক বা সংশ্লিষ্ট অন্য কেউ আটক হয়েছেন কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।

পুলিশের হেফাজতে জব্দ করা সার

অভিযানের পর জব্দ করা ২৩ বস্তা ডিএপি সার বকশীগঞ্জ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে সারগুলো পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।

প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, জব্দ করা সারগুলো বৈধভাবে পরিবহন করা হচ্ছিল কি না এবং এগুলো কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

উৎস ও পাচারের বিষয়ে তদন্ত

বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন বলেন, জব্দ করা সারগুলো কোথা থেকে আনা হয়েছে, তা জানার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে সারগুলো কোথায় নেওয়া হচ্ছিল এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, সে বিষয়েও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কৃষি উৎপাদনের গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ হওয়ায় সারের অবৈধ পরিবহন ও পাচার ঠেকাতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে সারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং কৃষকের কাছে নির্ধারিত ব্যবস্থায় সার পৌঁছানো নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান চালানো হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।