৮ অক্টোবর থেকে ২২ দিন ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ
- আপডেট সময় : ০৩:১৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৭৪ বার পড়া হয়েছে
প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে আগামী ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকবে। এ সময় ইলিশ পরিবহন, মজুত, বাজারজাত, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময়ও নিষিদ্ধ থাকবে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন সংক্রান্ত জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
ইলিশ আহরণে থাকবে নিষেধাজ্ঞা
সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নিষিদ্ধ সময়ে সারাদেশে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান পরিচালনা করা হবে। এ সময় মাছ ধরা থেকে বিরত থাকা জেলেদের সরকার ভিজিএফ খাদ্য সহায়তা দেবে।
মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, ইলিশের টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করতে মা ইলিশ রক্ষায় কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। বরিশাল, চাঁদপুর ও ভোলাসহ ইলিশের প্রধান প্রজনন এলাকাগুলোতে নজরদারি ও অভিযান জোরদার করা হবে।
তিনি বলেন, নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন, নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড ও মৎস্য বিভাগকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। প্রয়োজন হলে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অতিরিক্ত নৌযান ও লজিস্টিক সহায়তা দেওয়া হবে।
বাজার ও আড়তেও নজরদারি
মন্ত্রী আরও বলেন, অবৈধভাবে ধরা ইলিশের বাজারজাত বন্ধে বরফকল, আড়ত ও বাজারে নজরদারি বাড়াতে হবে। চাঁদপুর মোহনাসহ ইলিশের প্রজননক্ষেত্রে অবৈধ জাল অপসারণে কঠোর অভিযান চালানোর নির্দেশ দেন তিনি।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ইলিশের উৎপাদন কমে যাওয়ার কারণ গবেষণার মাধ্যমে চিহ্নিত করতে হবে। পাশাপাশি নিষিদ্ধ জাল উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
তিনি বলেন, নিষিদ্ধ সময়ে মাছ ধরা থেকে বিরত রাখতে জেলেদের প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। এই সহায়তা যেন প্রকৃত জেলেদের কাছে পৌঁছে, তা নিশ্চিত করতে তদারকি বাড়ানো হবে।
ইলিশ উৎপাদন বাড়াতে সমন্বিত পরিকল্পনা
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইলিশের উৎপাদন কমে গিয়ে বিদেশ থেকে মাছ আমদানি করতে হচ্ছে, যা উদ্বেগের বিষয়। ইলিশকে জাতীয় সম্পদ ও জিআই পণ্য হিসেবে রক্ষা এবং উৎপাদন বাড়াতে ভবিষ্যতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হবে।
সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. মীর হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক এবং বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. লতিফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।






















