০৩:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরের পণ্য নিলামে তুলবে কাস্টমস

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:০৮:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫৫১ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা মূল্যের পণ্য নিলামে তুলছে কাস্টমস হাউস। বন্দরের জায়গা খালি করা এবং কনটেইনার জট কমানোই এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য। আগামী ২৭ আগস্ট থেকে শুরু হবে ই-নিলাম। দুই ধাপে এই নিলাম চলবে ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

নিলামে মোট ২১০টি লটে ৪৪২টি কনটেইনারের পণ্য বিক্রি করা হবে। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে রাসায়নিক ও যন্ত্রপাতি, কাপড় ও সুতা, প্লাস্টিক বর্জ্য, টাইলস, লবণ, কাগজ ও গৃহস্থালি সামগ্রী।

প্রথম ধাপে ১০১টি লটে থাকা ২৯০টি কনটেইনারের পণ্য নিলামে তোলা হবে। একই ধাপে ৮৬টি পুরোনো খালি কনটেইনারও বিক্রি করা হবে। দ্বিতীয় ধাপে ১০৯টি লটে থাকা ১৫২টি কনটেইনারের পণ্য নিলামে উঠবে।

কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, বিভিন্ন কারণে এসব পণ্য দীর্ঘদিন ধরে খালাস হয়নি। এর মধ্যে রয়েছে কাগজপত্রের জটিলতা, পণ্যের বাজারমূল্য কমে যাওয়া এবং আমদানিতে অনিয়মের জন্য আরোপিত জরিমানা দিতে অনাগ্রহ। ফলে দীর্ঘদিন ধরে বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ জায়গা এসব পণ্য ও কনটেইনারে আটকে রয়েছে। এতে পণ্য পরিবহন ও বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারও সম্ভাব্য রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

কাস্টমসের ই-নিলাম প্ল্যাটফর্মে এই নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। নিলামে অংশ নিতে দরদাতাদের প্রস্তাবিত মূল্যের অন্তত ১০ শতাংশ জামানত জমা দিতে হবে। একই সঙ্গে জামানতের স্ক্যান কপিও নির্ধারিত নিয়মে জমা দিতে হবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আশা করছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা পণ্যের দ্রুত নিষ্পত্তি হবে। এতে বন্দরের জায়গা খালি হওয়ার পাশাপাশি কনটেইনার জট কমবে এবং পণ্য ওঠানামায় গতি বাড়বে। এর ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের সামগ্রিক কার্যক্ষমতাও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

চট্টগ্রাম বন্দরের পণ্য নিলামে তুলবে কাস্টমস

আপডেট সময় : ১২:০৮:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা মূল্যের পণ্য নিলামে তুলছে কাস্টমস হাউস। বন্দরের জায়গা খালি করা এবং কনটেইনার জট কমানোই এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য। আগামী ২৭ আগস্ট থেকে শুরু হবে ই-নিলাম। দুই ধাপে এই নিলাম চলবে ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

নিলামে মোট ২১০টি লটে ৪৪২টি কনটেইনারের পণ্য বিক্রি করা হবে। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে রাসায়নিক ও যন্ত্রপাতি, কাপড় ও সুতা, প্লাস্টিক বর্জ্য, টাইলস, লবণ, কাগজ ও গৃহস্থালি সামগ্রী।

প্রথম ধাপে ১০১টি লটে থাকা ২৯০টি কনটেইনারের পণ্য নিলামে তোলা হবে। একই ধাপে ৮৬টি পুরোনো খালি কনটেইনারও বিক্রি করা হবে। দ্বিতীয় ধাপে ১০৯টি লটে থাকা ১৫২টি কনটেইনারের পণ্য নিলামে উঠবে।

কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, বিভিন্ন কারণে এসব পণ্য দীর্ঘদিন ধরে খালাস হয়নি। এর মধ্যে রয়েছে কাগজপত্রের জটিলতা, পণ্যের বাজারমূল্য কমে যাওয়া এবং আমদানিতে অনিয়মের জন্য আরোপিত জরিমানা দিতে অনাগ্রহ। ফলে দীর্ঘদিন ধরে বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ জায়গা এসব পণ্য ও কনটেইনারে আটকে রয়েছে। এতে পণ্য পরিবহন ও বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারও সম্ভাব্য রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

কাস্টমসের ই-নিলাম প্ল্যাটফর্মে এই নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। নিলামে অংশ নিতে দরদাতাদের প্রস্তাবিত মূল্যের অন্তত ১০ শতাংশ জামানত জমা দিতে হবে। একই সঙ্গে জামানতের স্ক্যান কপিও নির্ধারিত নিয়মে জমা দিতে হবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আশা করছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা পণ্যের দ্রুত নিষ্পত্তি হবে। এতে বন্দরের জায়গা খালি হওয়ার পাশাপাশি কনটেইনার জট কমবে এবং পণ্য ওঠানামায় গতি বাড়বে। এর ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের সামগ্রিক কার্যক্ষমতাও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।