আমলাতন্ত্রের কারণে সরকারি প্রণোদনার সুফল মেলে না: ডেপুটি স্পিকার
- আপডেট সময় : ১২:২৫:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৫৫১ বার পড়া হয়েছে
সরকারি প্রণোদনা ও সহায়তার কাঙ্ক্ষিত সুফল জনগণের কাছে পৌঁছাতে প্রশাসনিক ব্যবস্থার সংস্কার প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি বলেছেন, আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সরকারি প্রণোদনার প্রত্যাশিত সুফল পাওয়া যায় না। তাই রাজনৈতিক ব্যবস্থার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর সংস্কার জরুরি।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত শরৎ উৎসব ও নবীনবরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
রাজনৈতিক সংস্কারের পাশাপাশি প্রশাসনিক সংস্কার প্রয়োজন
ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, শুধু রাজনৈতিক সংস্কারের মাধ্যমে রাষ্ট্রের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এর পাশাপাশি আমলাতন্ত্র, সিভিল প্রশাসন ও প্রকৌশল বিভাগসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কার্যকর সংস্কার আনতে হবে।
তিনি মনে করেন, সরকারি সেবা ও সহায়তা কার্যকরভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে আরও জনবান্ধব ও কার্যকর করা প্রয়োজন। সরকারি উদ্যোগের সুফল যাতে প্রকৃত উপকারভোগীরা পান, সে জন্য বিদ্যমান ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা দূর করার ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে।
রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা বাড়ানোর আহ্বান
বক্তব্যে কায়সার কামাল বলেন, দেশের উন্নয়ন ও জনকল্যাণ নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে হবে। প্রশাসনিক জটিলতা কমিয়ে সরকারি সেবা সহজলভ্য করা গেলে সাধারণ মানুষ আরও কার্যকরভাবে সরকারি উদ্যোগের সুফল পেতে পারেন।
তার বক্তব্যে রাজনৈতিক সংস্কারের পাশাপাশি প্রশাসনিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা উঠে আসে।
দেশ গঠনে সরকার ও বিরোধী দলের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ
নতুন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক নেতৃত্ব, প্রশাসন ও নাগরিকদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন ডেপুটি স্পিকার।
তিনি বলেন, দেশ গঠনের দায়িত্ব শুধু সরকারি দলের নয়। এ ক্ষেত্রে বিরোধী দলকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
কায়সার কামালের মতে, দেশের উন্নয়ন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে রাজনৈতিক নেতৃত্বের পাশাপাশি প্রশাসন ও নাগরিকদের মধ্যে সহযোগিতা প্রয়োজন। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকর করা এবং জনগণের কাছে সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়ার পথ সুগম হতে পারে।


























