মিষ্টির শূন্য আসনে উপনির্বাচন: রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ দিল ইসি
- আপডেট সময় : ০৩:৫১:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৫৩৭ বার পড়া হয়েছে
জাতীয় সংসদের শূন্য ঘোষিত আসনে উপনির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ লক্ষ্যে বিএনপি নেত্রী ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগে শূন্য হওয়া আসনের উপনির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পোলিং অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আগামী ১২ নভেম্বর এ আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব আখতার আহমেদের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়।
উপনির্বাচনে দায়িত্ব পেলেন যারা
ইসির প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নির্বাচন ব্যবস্থাপনা-২ অনুবিভাগের উপসচিব মো. মঈন উদ্দীন খানকে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
একই সচিবালয়ের নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনকে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয়-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলামকে পোলিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী মনোনয়নপত্র গ্রহণ, যাচাই-বাছাই এবং ভোটগ্রহণের প্রস্তুতিসহ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
উপনির্বাচনের সময়সূচি
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২৬ অক্টোবরের মধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীদের রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে। এরপর ২৭ অক্টোবর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে।
যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকবে ২৮ অক্টোবর। পরদিন ২৯ অক্টোবর এসব আপিল নিষ্পত্তি করা হবে।
প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে ১ নভেম্বর। এরপর ২ নভেম্বর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। সবশেষে ১২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ভোটগ্রহণ।
যেভাবে শূন্য হয় আসনটি
রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির নাম আলোচনায় আসে। এ ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলীয় নেত্রী ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকে সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন। পরে দলীয় নির্দেশনা অনুসরণ করে তিনি পদত্যাগ করেন।
এর ধারাবাহিকতায় জাতীয় সংসদ সচিবালয় আসনটি শূন্য ঘোষণা করে। এখন শূন্য আসনে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য উপনির্বাচনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম এগিয়ে নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।
নির্ধারিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা থেকে শুরু করে যাচাই-বাছাই, আপিল নিষ্পত্তি, প্রার্থিতা প্রত্যাহার ও প্রতীক বরাদ্দের কার্যক্রম সম্পন্ন করে ১২ নভেম্বর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনের মাধ্যমে আসনটিতে নতুন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবেন।























