০২:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ব্যবস্থা নেবে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:৫৯:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৫৪ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে সরকার। এ তথ্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তবে এ ঘটনায় কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি তথ্য উপদেষ্টা। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা কিংবা পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে ঘিরে বিক্ষোভ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে নিউইয়র্কের জেএফকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ঘিরে কয়েকজন ব্যক্তিকে বিক্ষোভ করতে দেখা যায়। ভিডিওতে ড. ইউনূসকে হুইলচেয়ারে বসে থাকতে দেখা যায়। এ সময় কয়েকজন ব্যক্তি তাঁর দিকে এগিয়ে গিয়ে উচ্চস্বরে স্লোগান দিতে থাকেন।

বিক্ষোভকারীদের কয়েকজনকে ড. ইউনূসকে উদ্দেশ করে ‘ইউ আর আ টেরোরিস্ট’ এবং ‘হোয়াই ইউ কাম হিয়ার’ বলতে শোনা যায়। অর্থাৎ, তাঁরা তাঁকে ‘আপনি একজন সন্ত্রাসী’ এবং ‘আপনি এখানে কেন এসেছেন’ বলে চিৎকার করছিলেন।

এ সময় বিক্ষোভকারীরা বাংলাদেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করার অভিযোগও তোলেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও বিভিন্ন স্লোগান দেন তাঁরা।

সহযোগীর সহায়তায় সামনে এগিয়ে যান

ভিডিওতে দেখা যায়, বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দিতে থাকলেও ড. ইউনূসের সঙ্গে থাকা এক সহযোগী তাঁকে সহায়তা করেন। পরে ওই সহযোগীর সহায়তায় তিনি সামনের দিকে এগিয়ে যান।

ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। নিউইয়র্কের মতো আন্তর্জাতিক শহরের একটি বিমানবন্দরে বাংলাদেশের সাবেক প্রধান উপদেষ্টাকে ঘিরে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ায় ঘটনাটি গুরুত্ব পেয়েছে।

ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানাল সরকার

ঘটনাটি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, সরকার এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে কী প্রক্রিয়ায় বিষয়টি মোকাবিলা করা হবে, তা এখনো স্পষ্ট করা হয়নি।

ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ, বিক্ষোভকারীদের পরিচয় এবং তাঁদের সঙ্গে ড. ইউনূসের কোনো পূর্ববিরোধ ছিল কি না, সে সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

এখন সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে। একই সঙ্গে বিমানবন্দরের ঘটনাটি সম্পর্কে আরও তথ্য সামনে এলে বিষয়টির প্রকৃত পরিস্থিতি স্পষ্ট হতে পারে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

নারায়ণগ‌ঞ্জে তুহিন হত্যা মামলায় জামিন পেলেন সাবেক মেয়র আইভী নারায়ণগ‌ঞ্জে তুহিন হত্যা মামলায় জামিন পেলেন সাবেক মেয়র আইভী আরও দেখুন শহর খুঁজুন ভ্রমণ টিকিট বুক করুন টিভি দেখুন ইসলামিক অনুষ্ঠান টিভি সরঞ্জাম বাছুন বিশ্বকাপ খবর টেলিভিশন চ্যানেল ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। ছবি : চ্যানেল 24 আহসান সাদিক, স্টাফ রিপোর্টার নারায়ণগঞ্জ প্রকাশ: ১৩:২৪, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ sharethis sharing buttonfacebook sharing buttontwitter sharing buttongmail sharing buttonprint sharing button নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে তুহিন হত্যা মামলায় জামিন পেলেন সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। তিনি এ মামলায় এজাহারভুক্ত ১১ নম্বর আসামি। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) নারায়ণগঞ্জের দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু শামীম আজাদ মামলার শুনানি শেষে জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। এর আগে সকালে স্বশরীরে আদালতে হাজির হন সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দায়ের করা মামলাটিতে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানকে ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে। এজাহারভুক্ত অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু, গোলাম দস্তগীর গাজী, কায়সার হাসনাত, শামীম ওসমানের ছেলে অয়ন ওসমান ও ভাতিজা আজমেরী ওসমান। মামলাটিতে এজাহারনামীয় মোট আসামি ৯৯ জন। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এদিকে, আদাল‌তের শুনানি শেষে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে বের হয়ে গাড়িতে ওঠার সময় ‘জয় বাংলাকে দমিয়ে রাখা যাবে না’ এবং ‘জয় বাংলা স্লোগান দেন’। পরে তিনি আদালত প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী আওলাদ হোসেন জানান, আজকে সিদ্ধিরগঞ্জের তুহিন হত্যা মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদনের শুনানি এবং মেয়র আইভীর পুনর্জামিনের দিন ধার্য ছিল। আমরা আদালতে পুর্নজামিনের আবেদন করি। আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন।

নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ব্যবস্থা নেবে সরকার

আপডেট সময় : ১২:৫৯:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে সরকার। এ তথ্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তবে এ ঘটনায় কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি তথ্য উপদেষ্টা। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা কিংবা পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে ঘিরে বিক্ষোভ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে নিউইয়র্কের জেএফকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ঘিরে কয়েকজন ব্যক্তিকে বিক্ষোভ করতে দেখা যায়। ভিডিওতে ড. ইউনূসকে হুইলচেয়ারে বসে থাকতে দেখা যায়। এ সময় কয়েকজন ব্যক্তি তাঁর দিকে এগিয়ে গিয়ে উচ্চস্বরে স্লোগান দিতে থাকেন।

বিক্ষোভকারীদের কয়েকজনকে ড. ইউনূসকে উদ্দেশ করে ‘ইউ আর আ টেরোরিস্ট’ এবং ‘হোয়াই ইউ কাম হিয়ার’ বলতে শোনা যায়। অর্থাৎ, তাঁরা তাঁকে ‘আপনি একজন সন্ত্রাসী’ এবং ‘আপনি এখানে কেন এসেছেন’ বলে চিৎকার করছিলেন।

এ সময় বিক্ষোভকারীরা বাংলাদেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করার অভিযোগও তোলেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও বিভিন্ন স্লোগান দেন তাঁরা।

সহযোগীর সহায়তায় সামনে এগিয়ে যান

ভিডিওতে দেখা যায়, বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দিতে থাকলেও ড. ইউনূসের সঙ্গে থাকা এক সহযোগী তাঁকে সহায়তা করেন। পরে ওই সহযোগীর সহায়তায় তিনি সামনের দিকে এগিয়ে যান।

ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। নিউইয়র্কের মতো আন্তর্জাতিক শহরের একটি বিমানবন্দরে বাংলাদেশের সাবেক প্রধান উপদেষ্টাকে ঘিরে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ায় ঘটনাটি গুরুত্ব পেয়েছে।

ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানাল সরকার

ঘটনাটি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, সরকার এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে কী প্রক্রিয়ায় বিষয়টি মোকাবিলা করা হবে, তা এখনো স্পষ্ট করা হয়নি।

ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ, বিক্ষোভকারীদের পরিচয় এবং তাঁদের সঙ্গে ড. ইউনূসের কোনো পূর্ববিরোধ ছিল কি না, সে সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

এখন সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে। একই সঙ্গে বিমানবন্দরের ঘটনাটি সম্পর্কে আরও তথ্য সামনে এলে বিষয়টির প্রকৃত পরিস্থিতি স্পষ্ট হতে পারে।