আওতায় ৫২ লাখ মানুষ
শুরু হলো মুখে খাওয়ার কলেরার টিকাদান কর্মসূচি
- আপডেট সময় : ০১:৪৪:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৩৫ বার পড়া হয়েছে
দেশের ১৪টি উচ্চঝুঁকিপূর্ণ উপজেলা ও থানায় প্রায় ৫২ লাখ মানুষকে মুখে খাওয়ার কলেরার টিকা দেওয়ার কর্মসূচি শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অডিটোরিয়ামে ‘প্রিভেন্টিভ ওরাল কলেরা ক্যাম্পেইন’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এক বছর বা তার বেশি বয়সী মানুষকে এ টিকা দেওয়া হচ্ছে। কর্মসূচির আওতায় ৫১ লাখ ৭৫ হাজার মানুষকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। দুই ধাপে তাদের জন্য প্রয়োজন হবে প্রায় ১ কোটি ৩ লাখ ৫০ হাজার ডোজ টিকা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণের ভিত্তিতেই ১৪টি এলাকাকে উচ্চঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কলেরা প্রতিরোধযোগ্য ও চিকিৎসাযোগ্য রোগ হলেও সময়মতো চিকিৎসা না হলে তীব্র ডায়রিয়া ও পানিশূন্যতার কারণে প্রাণহানির ঝুঁকি তৈরি হয়।
তিনি বলেন, নিরাপদ পানি, উন্নত স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনের পাশাপাশি কলেরা প্রতিরোধে টিকাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ঘনবসতিপূর্ণ বাংলাদেশে নগরায়ন, জনসংখ্যার চাপ, নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় ভবিষ্যতে ১৪৪টি উচ্চঝুঁকিপূর্ণ উপজেলা ও থানায় এ কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
টিকাদান কর্মসূচির আওতাভুক্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটির লালবাগ, গেন্ডারিয়া, কদমতলী ও কামরাঙ্গীরচর; ঢাকা উত্তরের শের-ই-বাংলা নগর, খিলক্ষেত ও তেজগাঁও; মুন্সীগঞ্জ সদর; কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ, হোসেনপুর ও তাড়াইল; নারায়ণগঞ্জ সদর এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর ও নবীনগর।
অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেন, পুরান ঢাকাসহ ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এ কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নে তারা প্রস্তুত।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও আইসিডিডিআর,বির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


























