০৪:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

আওতায় ৫২ লাখ মানুষ

শুরু হলো মুখে খাওয়ার কলেরার টিকাদান কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০১:৪৪:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫৪১ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশের ১৪টি উচ্চঝুঁকিপূর্ণ উপজেলা ও থানায় প্রায় ৫২ লাখ মানুষকে মুখে খাওয়ার কলেরার টিকা দেওয়ার কর্মসূচি শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অডিটোরিয়ামে ‘প্রিভেন্টিভ ওরাল কলেরা ক্যাম্পেইন’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এক বছর বা তার বেশি বয়সী মানুষকে এ টিকা দেওয়া হচ্ছে। কর্মসূচির আওতায় ৫১ লাখ ৭৫ হাজার মানুষকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। দুই ধাপে তাদের জন্য প্রয়োজন হবে প্রায় ১ কোটি ৩ লাখ ৫০ হাজার ডোজ টিকা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণের ভিত্তিতেই ১৪টি এলাকাকে উচ্চঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কলেরা প্রতিরোধযোগ্য ও চিকিৎসাযোগ্য রোগ হলেও সময়মতো চিকিৎসা না হলে তীব্র ডায়রিয়া ও পানিশূন্যতার কারণে প্রাণহানির ঝুঁকি তৈরি হয়।

তিনি বলেন, নিরাপদ পানি, উন্নত স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনের পাশাপাশি কলেরা প্রতিরোধে টিকাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ঘনবসতিপূর্ণ বাংলাদেশে নগরায়ন, জনসংখ্যার চাপ, নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় ভবিষ্যতে ১৪৪টি উচ্চঝুঁকিপূর্ণ উপজেলা ও থানায় এ কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

টিকাদান কর্মসূচির আওতাভুক্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটির লালবাগ, গেন্ডারিয়া, কদমতলী ও কামরাঙ্গীরচর; ঢাকা উত্তরের শের-ই-বাংলা নগর, খিলক্ষেত ও তেজগাঁও; মুন্সীগঞ্জ সদর; কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ, হোসেনপুর ও তাড়াইল; নারায়ণগঞ্জ সদর এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর ও নবীনগর।

অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেন, পুরান ঢাকাসহ ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এ কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নে তারা প্রস্তুত।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও আইসিডিডিআর,বির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আওতায় ৫২ লাখ মানুষ

শুরু হলো মুখে খাওয়ার কলেরার টিকাদান কর্মসূচি

আপডেট সময় : ০১:৪৪:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

দেশের ১৪টি উচ্চঝুঁকিপূর্ণ উপজেলা ও থানায় প্রায় ৫২ লাখ মানুষকে মুখে খাওয়ার কলেরার টিকা দেওয়ার কর্মসূচি শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অডিটোরিয়ামে ‘প্রিভেন্টিভ ওরাল কলেরা ক্যাম্পেইন’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এক বছর বা তার বেশি বয়সী মানুষকে এ টিকা দেওয়া হচ্ছে। কর্মসূচির আওতায় ৫১ লাখ ৭৫ হাজার মানুষকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। দুই ধাপে তাদের জন্য প্রয়োজন হবে প্রায় ১ কোটি ৩ লাখ ৫০ হাজার ডোজ টিকা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণের ভিত্তিতেই ১৪টি এলাকাকে উচ্চঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কলেরা প্রতিরোধযোগ্য ও চিকিৎসাযোগ্য রোগ হলেও সময়মতো চিকিৎসা না হলে তীব্র ডায়রিয়া ও পানিশূন্যতার কারণে প্রাণহানির ঝুঁকি তৈরি হয়।

তিনি বলেন, নিরাপদ পানি, উন্নত স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনের পাশাপাশি কলেরা প্রতিরোধে টিকাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ঘনবসতিপূর্ণ বাংলাদেশে নগরায়ন, জনসংখ্যার চাপ, নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় ভবিষ্যতে ১৪৪টি উচ্চঝুঁকিপূর্ণ উপজেলা ও থানায় এ কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

টিকাদান কর্মসূচির আওতাভুক্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটির লালবাগ, গেন্ডারিয়া, কদমতলী ও কামরাঙ্গীরচর; ঢাকা উত্তরের শের-ই-বাংলা নগর, খিলক্ষেত ও তেজগাঁও; মুন্সীগঞ্জ সদর; কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ, হোসেনপুর ও তাড়াইল; নারায়ণগঞ্জ সদর এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর ও নবীনগর।

অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেন, পুরান ঢাকাসহ ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এ কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নে তারা প্রস্তুত।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও আইসিডিডিআর,বির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।