মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সচেতনতার বার্তা
বিশ্ব মশা দিবস আজ
- আপডেট সময় : ১২:০৬:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৩৭ বার পড়া হয়েছে
আজ ২০ আগস্ট বিশ্ব মশা দিবস। মশাবাহিত রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানো, রোগের বিস্তার রোধ এবং মশা নিয়ন্ত্রণে মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই প্রতি বছর দিবসটি পালন করা হয়।
আকারে ছোট হলেও মশা মানুষের জন্য বড় স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ। মশার মাধ্যমে ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, জিকা, ইয়েলো ফিভার ও জাপানিজ এনকেফালাইটিসের মতো প্রাণঘাতী রোগ ছড়াতে পারে।
যেভাবে শুরু বিশ্ব মশা দিবস
বিশ্ব মশা দিবসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে চিকিৎসাবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার। ১৮৯৭ সালের ২০ আগস্ট ব্রিটিশ চিকিৎসাবিজ্ঞানী স্যার রোনাল্ড রস প্রমাণ করেন, স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশা ম্যালেরিয়ার পরজীবী বহন করে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে পারে।
ম্যালেরিয়া নিয়ে এই যুগান্তকারী গবেষণার স্বীকৃতি হিসেবে ১৯০২ সালে রোনাল্ড রস চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তার ঐতিহাসিক আবিষ্কারকে স্মরণ করেই প্রতি বছর ২০ আগস্ট বিশ্ব মশা দিবস পালন করা হয়।
বাংলাদেশের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ
উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়া মশার বংশবিস্তারের জন্য অনুকূল হওয়ায় বাংলাদেশে মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি বেশি। দেশে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, ম্যালেরিয়া, ফাইলেরিয়া ও জাপানিজ এনকেফালাইটিস অন্যতম মশাবাহিত রোগ।
বিশেষ করে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ডেঙ্গুর প্রকোপ জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মশা নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন সচেতনতা
মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে শুধু প্রশাসনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও অংশগ্রহণ। বাড়ির আশপাশে পানি জমে থাকা বন্ধ করা, ফুলের টব ও পরিত্যক্ত পাত্র নিয়মিত পরিষ্কার রাখা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী মশারি ও মশা প্রতিরোধক ব্যবহার করা জরুরি।
বিশ্ব মশা দিবস তাই শুধু একটি দিবস নয়, বরং ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের সব পর্যায়ে মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সচেতন হওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।



























