০৪:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরে পানি জমে কোটি টাকার পণ্য নষ্ট, ক্ষতিপূরণ দাবি ব্যবসায়ীদের

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ০৩:১৫:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
  • / ১৫৯৭ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টানা অতি বৃষ্টি আর জলাবদ্ধতায় চট্টগ্রাম বন্দরের জেটি ও ইয়ার্ডে পানি জমে নষ্ট হয়েছে কন্টেইনারে থাকা তৈরি পোশাক খাতের কাঁচামালসহ রপ্তানিযোগ্য পণ্য। সেই সাথে স্বাভাবিক সরবরাহ বাঁধাগ্রস্থ হওয়ায় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। তবে বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, অ্যাক্ট অব গডের আওতায় নষ্ট হওয়া পণ্যের ক্ষয়ক্ষতির দায় তারা নেবে না। এর প্রতিকার চেয়ে ব্যবসায়ীরা নৌপরিবহন মন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন।

চট্টগ্রামে টানা এক সপ্তাহের অতি ভারী বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা আর সাগর উত্তাল থাকায় কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছিল বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম। অতি বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম বন্দরের কয়েকটি কন্টেইনার ইয়ার্ডে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতার। আর এতে নষ্ট হয়েছে কন্টেইনারের নিচের স্তরে থাকা সুতা, কাপড়, তুলা ও ডাইং কেমিক্যালের মতো তৈরি পোশাক শিল্পের কাঁচামাল।

শুধু তাই নয়, সাগর উত্তাল থাকায় বহির্নোঙরে পণ্য খালাস কার্যক্রমও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ে বন্দরে দৈনিক কনটেইনার হ্যান্ডলিং গড়ে ৯ হাজার থেকে ১১ হাজার টিইইউস হলেও অতিবৃষ্টির প্রভাবে তা নেমে আসে প্রায় অর্ধেকে। ফলে পোশাক প্রস্তুত সহ পণ্য উৎপাদনেও পড়ছে এর প্রভাব।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, জলাবদ্ধতার কারণে পণ্য নষ্ট, শ্রমিক সংকট আর আমদানি করা কাঁচামাল বন্দর থেকে খালাসে দেরি হওয়ায় পণ্য উৎপাদনে ক্ষতির মুখে পড়ছেন তারা।

তবে বৃষ্টি চলাকালীন সময়ে বন্দরের পরিচালকের স্বাক্ষরে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, টানা বৃষ্টিপাত ও জলাবদ্ধতার কারণে বন্দরে সংরক্ষিত পণ্য, কার্গো ও কনটেইনারের কোনো ক্ষতির জন্য তারা দায়ী থাকবে না। সংস্থাটির দাবি, এটি ‘অ্যাক্ট অব গড’ বা প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঘটনা।

ব্যবসায়ীদের এসব ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সরকারের কাছে চিঠি দিয়েছে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো। ক্ষতিগ্রস্থ পণ্য ও প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে একটি বিশেষ মূল্যায়ন কমিটি গঠন করতে সরকারের কাছে আহবান জানিয়েছেন তারা।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

চট্টগ্রাম বন্দরে পানি জমে কোটি টাকার পণ্য নষ্ট, ক্ষতিপূরণ দাবি ব্যবসায়ীদের

আপডেট সময় : ০৩:১৫:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

টানা অতি বৃষ্টি আর জলাবদ্ধতায় চট্টগ্রাম বন্দরের জেটি ও ইয়ার্ডে পানি জমে নষ্ট হয়েছে কন্টেইনারে থাকা তৈরি পোশাক খাতের কাঁচামালসহ রপ্তানিযোগ্য পণ্য। সেই সাথে স্বাভাবিক সরবরাহ বাঁধাগ্রস্থ হওয়ায় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। তবে বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, অ্যাক্ট অব গডের আওতায় নষ্ট হওয়া পণ্যের ক্ষয়ক্ষতির দায় তারা নেবে না। এর প্রতিকার চেয়ে ব্যবসায়ীরা নৌপরিবহন মন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন।

চট্টগ্রামে টানা এক সপ্তাহের অতি ভারী বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা আর সাগর উত্তাল থাকায় কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছিল বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম। অতি বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম বন্দরের কয়েকটি কন্টেইনার ইয়ার্ডে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতার। আর এতে নষ্ট হয়েছে কন্টেইনারের নিচের স্তরে থাকা সুতা, কাপড়, তুলা ও ডাইং কেমিক্যালের মতো তৈরি পোশাক শিল্পের কাঁচামাল।

শুধু তাই নয়, সাগর উত্তাল থাকায় বহির্নোঙরে পণ্য খালাস কার্যক্রমও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ে বন্দরে দৈনিক কনটেইনার হ্যান্ডলিং গড়ে ৯ হাজার থেকে ১১ হাজার টিইইউস হলেও অতিবৃষ্টির প্রভাবে তা নেমে আসে প্রায় অর্ধেকে। ফলে পোশাক প্রস্তুত সহ পণ্য উৎপাদনেও পড়ছে এর প্রভাব।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, জলাবদ্ধতার কারণে পণ্য নষ্ট, শ্রমিক সংকট আর আমদানি করা কাঁচামাল বন্দর থেকে খালাসে দেরি হওয়ায় পণ্য উৎপাদনে ক্ষতির মুখে পড়ছেন তারা।

তবে বৃষ্টি চলাকালীন সময়ে বন্দরের পরিচালকের স্বাক্ষরে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, টানা বৃষ্টিপাত ও জলাবদ্ধতার কারণে বন্দরে সংরক্ষিত পণ্য, কার্গো ও কনটেইনারের কোনো ক্ষতির জন্য তারা দায়ী থাকবে না। সংস্থাটির দাবি, এটি ‘অ্যাক্ট অব গড’ বা প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঘটনা।

ব্যবসায়ীদের এসব ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সরকারের কাছে চিঠি দিয়েছে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো। ক্ষতিগ্রস্থ পণ্য ও প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে একটি বিশেষ মূল্যায়ন কমিটি গঠন করতে সরকারের কাছে আহবান জানিয়েছেন তারা।