০১:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬

হরমুজে নৌ জোট গড়তে যুক্তরাষ্ট্রের তৎপরতা, সাড়া দিচ্ছে না ইউরোপ

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ১২:১৮:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫২৭ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক নৌ জোট গঠনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে দেশটির ঘনিষ্ঠ ইউরোপীয় মিত্র যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সসহ কয়েকটি দেশ এ উদ্যোগে সরাসরি যুক্ত হতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি এবং আঞ্চলিক দেশগুলোর স্পষ্ট সমর্থনের অভাবেই ইউরোপীয় দেশগুলো সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র কয়েক মাস ধরে উত্তপ্ত হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তায় একটি বহুজাতিক নৌ মিশন গঠনের চেষ্টা করছে। শুরুতে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স অংশগ্রহণের সম্ভাবনা খোলা রাখলেও, এখন পর্যন্ত এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে বড় কোনো অগ্রগতি হয়নি।

এর আগে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার জানিয়েছিলেন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স একটি আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষামূলক মিশনের নেতৃত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। তবে দেশ দুটি জোর দিয়ে বলেছে, এটি কোনো সামরিক অভিযান নয়; বরং হরমুজে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা ও বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এর লক্ষ্য।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউরোপীয় দেশগুলো এমন কোনো সংঘাতে জড়াতে চায় না, যার সিদ্ধান্ত গ্রহণে তারা অংশ নেয়নি। বিশেষ করে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে তারা পরিস্থিতি আরও জটিল করতে চায় না।

রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের গবেষক এইচএ হেলিয়ার বলেন, আঞ্চলিক দেশগুলোর সক্রিয় সমর্থন ছাড়া যুক্তরাজ্য বা ফ্রান্স ইরানের সঙ্গে সংঘাতপূর্ণ কোনো পদক্ষেপে যেতে আগ্রহী নয়।

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ। বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। ফলে এই অঞ্চলের অস্থিরতা বৈশ্বিক বাজারেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

এদিকে ইরান হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে। দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জাহাজ চলাচলের জন্য নতুন রুট ব্যবস্থাপনা নিয়ে ওমানের সঙ্গে সমঝোতার কাছাকাছি পৌঁছেছে তারা।

বিশ্লেষকদের ধারণা, ইউরোপীয় দেশগুলো সীমিত ও প্রতিরক্ষামূলক কোনো নৌ উপস্থিতিতে অংশ নিতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাশিত বড় ধরনের সামরিক জোট গঠনের সম্ভাবনা এখনো অনিশ্চিত।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

হরমুজে নৌ জোট গড়তে যুক্তরাষ্ট্রের তৎপরতা, সাড়া দিচ্ছে না ইউরোপ

আপডেট সময় : ১২:১৮:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক নৌ জোট গঠনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে দেশটির ঘনিষ্ঠ ইউরোপীয় মিত্র যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সসহ কয়েকটি দেশ এ উদ্যোগে সরাসরি যুক্ত হতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি এবং আঞ্চলিক দেশগুলোর স্পষ্ট সমর্থনের অভাবেই ইউরোপীয় দেশগুলো সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র কয়েক মাস ধরে উত্তপ্ত হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তায় একটি বহুজাতিক নৌ মিশন গঠনের চেষ্টা করছে। শুরুতে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স অংশগ্রহণের সম্ভাবনা খোলা রাখলেও, এখন পর্যন্ত এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে বড় কোনো অগ্রগতি হয়নি।

এর আগে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার জানিয়েছিলেন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স একটি আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষামূলক মিশনের নেতৃত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। তবে দেশ দুটি জোর দিয়ে বলেছে, এটি কোনো সামরিক অভিযান নয়; বরং হরমুজে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা ও বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এর লক্ষ্য।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউরোপীয় দেশগুলো এমন কোনো সংঘাতে জড়াতে চায় না, যার সিদ্ধান্ত গ্রহণে তারা অংশ নেয়নি। বিশেষ করে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে তারা পরিস্থিতি আরও জটিল করতে চায় না।

রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের গবেষক এইচএ হেলিয়ার বলেন, আঞ্চলিক দেশগুলোর সক্রিয় সমর্থন ছাড়া যুক্তরাজ্য বা ফ্রান্স ইরানের সঙ্গে সংঘাতপূর্ণ কোনো পদক্ষেপে যেতে আগ্রহী নয়।

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ। বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। ফলে এই অঞ্চলের অস্থিরতা বৈশ্বিক বাজারেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

এদিকে ইরান হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে। দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জাহাজ চলাচলের জন্য নতুন রুট ব্যবস্থাপনা নিয়ে ওমানের সঙ্গে সমঝোতার কাছাকাছি পৌঁছেছে তারা।

বিশ্লেষকদের ধারণা, ইউরোপীয় দেশগুলো সীমিত ও প্রতিরক্ষামূলক কোনো নৌ উপস্থিতিতে অংশ নিতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাশিত বড় ধরনের সামরিক জোট গঠনের সম্ভাবনা এখনো অনিশ্চিত।