স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপির বড় চ্যালেঞ্জ একাধিক প্রার্থী
- আপডেট সময় : ১১:৩৫:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৩০ বার পড়া হয়েছে
স্থানীয় সরকার ভোটের আগে হাতে সময় রয়েছে প্রায় দুই মাস। এরই মধ্যে প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ শুরু করেছে রাজনৈতিক দলগুলো। তবে ক্ষমতাসীন বিএনপির জন্য এবার বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে একাধিক প্রার্থী।
দলীয় প্রতীক না থাকলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী থাকবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। প্রয়োজনে এসব প্রার্থীর নাম জনসম্মুখে ঘোষণা করা হতে পারে।
দলীয় প্রতীক থাকছে না
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, আগের সরকারের সময়ে স্থানীয় নির্বাচন জাতীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত হতো। এবার সেই পদ্ধতি থাকছে না। স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে নির্দলীয়ভাবে। প্রার্থীরা দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করতে পারবেন না।
তবে দলগুলো নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে সমর্থন দিতে পারবে। বিএনপিও বিভিন্ন ইউনিয়নে নিজেদের সমর্থিত প্রার্থী ঘোষণা করতে পারে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, উপজেলা বিএনপি সংবাদ সম্মেলন করে নির্দিষ্ট ইউনিয়নে দল সমর্থিত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে পারে। আবার কর্মিসভা করেও প্রার্থীর নাম জানানো হতে পারে।
জিতে আসতে হবে নিজ যোগ্যতায়
স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের জয়ী করতে প্রশাসনিক বা সরকারি কোনো সহযোগিতা করা হবে না—এমন বার্তা দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব মোস্তফা জামান বলেন, তারেক রহমান স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়ে প্রার্থীকে জয়ী হয়ে আসতে হবে।
তিনি বলেন, অতীতে শেখ হাসিনা যেভাবে প্রার্থীদের সহযোগিতা করে নির্বাচনে জয়ী করিয়েছেন, বিএনপি সেই পথে যাবে না। সরকারের পক্ষ থেকেও কোনো প্রার্থীকে জিতিয়ে আনার সহযোগিতা করা হবে না।
একাধিক প্রার্থীই বড় চ্যালেঞ্জ
দলীয় প্রতীক না থাকায় একই এলাকায় বিএনপির একাধিক নেতা প্রার্থী হতে পারেন। ফলে প্রার্থী বাছাই এবং দলীয় সমর্থন নির্ধারণে বিএনপিকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হতে পারে।
একাধিক প্রার্থী মাঠে থাকলে ভোট ভাগ হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। এ কারণে জনপ্রিয়তা, সাংগঠনিক সক্ষমতা এবং স্থানীয় পর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে প্রার্থী বাছাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সুষ্ঠু নির্বাচনের আশ্বাস
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন যে ধরনের সহযোগিতা চাইবে, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও সরকার তা দেবে। ভোটের দিন ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেন এবং ফলাফল নিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেন, সে ব্যবস্থাও করা হবে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মধ্যে সবার শেষে জেলা পরিষদের প্রতিনিধি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।




















