রাজারহাটে জমে উঠেছে চামড়ার বেচাকেনা
- আপডেট সময় : ০৫:১১:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬
- / ১৫২৫ বার পড়া হয়েছে
কোরবানি ঈদের পর রাজারহাট হাটে জমে উঠেছে চামড়ার বেচাকেনা। সারা বছরজুড়ে কাঁচা ও লবণজাত চামড়ার লেনদেন হলেও ঈদ মৌসুমেই সবচেয়ে বেশি ব্যস্ততা থাকে এ বাজারে। সরকার চামড়ার দাম নির্ধারণ করে দিলেও তা নিয়ে রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। বিক্রেতাদের অভিযোগ, ন্যায্য মূল্য না পেয়ে লোকসান ও ঋণের বোঝা নিয়েই ফিরতে হচ্ছে তাদের। আর ব্যবসায়ীদের কপালেও চিন্তার ভাঁজ, দাম, সংরক্ষণ ও বাজার পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা যেন পিছু ছাড়ছে না।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বৃহত্তম চামড়ার হাট যশোরের রাজারহাট। যেখানে প্রতি বছর ২০ থেকে ২৫ হাজার চামড়া ওঠে, সেখানে এবার মাত্র গরুছাগল মিলিয়ে মাত্র ১০ হাজারের মতো চামড়া উঠেছে। সরকার কর্তৃক গরুর চামড়ার দাম প্রতিবর্গফুট ৫৭ থেকে ৬২ টাকা, খাসির চামড়া ২৫ থেকে ৩০ টাকা এবং বকরির চামড়া ২২ থেকে ২৫ টাকা নির্ধারণ করে দিলেও বাস্তবে গরুর চামড়া বিক্রি হচ্ছে মাত্র ২০০ থেকে ৫০০ টাকায়, আর ছাগলের চামড়া ২০ থেকে ৫০ টাকায়। এ নিয়ে চরম হতাশায় ট্যানারি ব্যবসায়ীরা। দাম কম থাকায় এবারের হাটে চামড়া উঠেছেও চাহিদার তুলনায় অনেক কম।
সরকার নির্ধারিত মূল্য ও হাটের দামে আকাশপাতাল পার্থক্য থাকার পেছনে ট্যানারি সিন্ডিকেটকে দায়ি করছেন পাইকাররা। লবণের মূল্য বৃদ্ধি ও চামড়ার দাম কম থাকায় বেশিদিন সংরক্ষণও করতে পারছেন না তারা । একপ্রকার বাধ্যহয়েই কম দামে চামড়া বিক্রি করতে হচ্ছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের।
সিন্ডিকেটের উপর সব দায় চাপিয়ে, সরকার নির্ধারিত দামে চামড়া ক্রয়বিক্রয় নিশ্চিত হচ্ছে কিনা বিষয়টি তদারকির দাবি হাট কর্তৃপক্ষের ।
বিগতবছর গুলোতে এই হাঁটে ঈদ মৌসুমে শত কোটি টাকার চামড়ার কেনাবেচা হলেও এবছর হাটের প্রথম দিনেই দরপতনে চরম হতাশা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে মৌসুমী ব্যবসায়ী মাঝে। হাটে ট্যানারির দাম তদারকির দাবি তাদের।


























