জ্বালানি তেল মাপে কম দেওয়ায় ঝিনাইগাতীতে দুই ব্যক্তিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা
- আপডেট সময় : ১১:৩৯:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫২৯ বার পড়া হয়েছে
শেরপুর প্রতিনিধি :
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে জ্বালানি তেল পরিমাপে কারচুপির অভিযোগে দুইটি দোকান মালিককে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যার দিকে বিএসটিআইয়ের এক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ‘ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮’ অনুযায়ী এই জরিমানা ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেন।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অনিন্দিতা রানী ভৌমিকের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। এতে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সংস্থাটির বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (মেট্রোলজি) মো. ছানোয়ার হোসেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, অভিযান চালানো হয় ঝিনাইগাতী উপজেলার খৈলকুড়া এলাকায় মেসার্স অবকাশ এন্টারপ্রাইজ নামের এক তেলের দোকানে। সেখানে বিএসটিআইয়ের দল পরীক্ষা করে দেখতে পায়, ওই দোকানের তিনটি ফুয়েল ডিসপেন্সিং ইউনিটে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে গ্রাহকদের তেল কম দেওয়া হচ্ছিল। এর মধ্যে একটি অকটেন ডিসপেন্সিং ইউনিটে প্রতি ১০ লিটারে ২১০ মিলিমিটার, পেট্রোল ডিসপেন্সিং ইউনিটে প্রতি ১০ লিটারে ৫৪০ মিলিমিটার, ডিজেল ডিসপেন্সিং ইউনিটে প্রতি ১০ লিটারে ৩৫০ মিলিমিটার তেল কম দেওয়া হচ্ছিল। কারচুপি ধরা পড়ার পরপরই তেলের দোকানের পরিচালক মো. রুবেল মিয়াকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
পরে একই এলাকার মেসার্স বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজ নামের একটি তেলের দোকানে বিএসটিআইয়ের দল পরীক্ষা করে দেখতে পায়, ওই দোকানের ফুয়েল ডিসপেন্সিং ইউনিটে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে গ্রাহকদের তেল কম দেওয়া হচ্ছিল। এর মধ্যে একটি অকটেন ডিসপেন্সিং ইউনিটে প্রতি ১০ লিটারে ৯৩০ মিলিমিটার, পেট্রোল ডিসপেন্সিং ইউনিটে প্রতি ১০ লিটারে ৮৯০ মিলিমিটার তেল কম দেওয়া হচ্ছিল।কারচুপি ধরা পড়ার পরপরই তেলের দোকানের ম্যানেজার মো. আল আমীনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অপরদিকে থানা রোড এলাকায় ফুলকলি বেকারিতে সিএম লাইসেন্স ছাড়া চিপস, কেক, বিস্কুটসহ বিভিন্ন বেকারি পণ্য উৎপাদন, বিক্রয় ও বিতরণের অপরাধে বিএসটিআই আইন, ২০১৮-এর ৩১ ধারায় ওই বেকারির মালিক মো. শাহজাহান মিয়াকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অনিন্দিতা রানী ভৌমিক বলেন, জনস্বার্থে এ ধরনের মোবাইল কোর্ট ও বাজার তদারকি কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
মহিউদ্দিন সোহেল
শেরপুর।























