জুডিসিয়াল সদস্যদের কোচিং নিষিদ্ধ
- আপডেট সময় : ১২:১৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৩৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের কোচিংয়ে যুক্ত হওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে। জুডিসিয়াল সদস্যদের কোচিং নিষেধ সংক্রান্ত নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো সদস্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বাণিজ্যিক কোচিং কার্যক্রমে যুক্ত হতে পারবেন না। এই নিষেধাজ্ঞা সরাসরি ও অনলাইন—উভয় ধরনের কোচিং কার্যক্রমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
সোমবার (২৪ আগস্ট) এ বিষয়ে একটি পরিপত্র জারি করেছে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। পেশাগত শৃঙ্খলা, বিচারিক নিরপেক্ষতা এবং বিচার বিভাগের মর্যাদা বজায় রাখার লক্ষ্যেই এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পরিপত্র অনুযায়ী, জুডিসিয়াল সার্ভিসের কোনো সদস্য কোনো বাণিজ্যিক কোচিং প্রতিষ্ঠান বা কার্যক্রমের সঙ্গে প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত হতে পারবেন না। কোচিং প্রতিষ্ঠানের প্রচারণা, বিজ্ঞাপন বা প্রচারমূলক কার্যক্রমে তাঁদের নাম, পদবি, ছবি কিংবা পরিচয় ব্যবহার করাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এ ছাড়া বিচারিক দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে পাওয়া কোনো গোপনীয় বা দাফতরিক তথ্য বাণিজ্যিক কোচিং কার্যক্রমে ব্যবহার করা যাবে না। বিচারিক দায়িত্বের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তথ্য ব্যবহার করে কোনো শিক্ষাসামগ্রী প্রস্তুত করাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
একইভাবে বাণিজ্যিক কোচিংয়ের উদ্দেশ্যে শিক্ষাসামগ্রী সম্পাদনা, প্রকাশ বা সরবরাহ করা থেকেও জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের বিরত থাকতে হবে। ফলে নতুন নির্দেশনার আওতায় কোচিংয়ের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততার পাশাপাশি কোচিংয়ের প্রচারণা ও শিক্ষাসামগ্রী তৈরির মতো পরোক্ষ সম্পৃক্ততাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের এ নির্দেশনা বিচার বিভাগের সদস্যদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরপেক্ষতা বজায় রাখার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েছে। একই সঙ্গে বিচারিক দায়িত্বের মাধ্যমে পাওয়া তথ্য বা পদমর্যাদা কোনো বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের সুযোগ বন্ধ করার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।
এ ধরনের নির্দেশনা বিচার বিভাগের পেশাগত আচরণ ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। জুডিসিয়াল সদস্যদের কোচিং নিষেধ সংক্রান্ত এ নির্দেশনার ফলে বিচারিক দায়িত্বে থাকা সদস্যদের বাণিজ্যিক শিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ আরও স্পষ্টভাবে সীমিত হলো।


























