আপত্তিকর পোস্টের মামলায় এনসিপির বহিষ্কৃত নেতা তানভীর কারাগারে
- আপডেট সময় : ০৪:০১:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৩৮ বার পড়া হয়েছে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বহিষ্কৃত নেতা গাজী সালাউদ্দিন তানভীরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে কারাগারে নেওয়ার সময় তার ওপর ডিম নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটেছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বগুড়া চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক ও সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান এ আদেশ দেন।
এর আগে বুধবার ভোরে রাজধানীর মনিপুরী এলাকার একটি আবাসিক ভবন থেকে সাইবার সুরক্ষা আইনের মামলায় গাজী সালাউদ্দিন তানভীরকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। পরে তাকে বগুড়া চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তানভীরকে গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়লে সরকারি আজিজুল হক কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব রাফিউল ইসলামের নেতৃত্বে কয়েকজন নেতাকর্মী সকাল থেকেই আদালত চত্বরে অবস্থান নেন। আদালতের নির্দেশে তানভীরকে কারাগারে নেওয়ার সময় তারা তার দিকে ডিম নিক্ষেপ করেন এবং বিভিন্ন স্লোগান দেন।
ছাত্রদল নেতা রাফিউল আল আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও বগুড়ার কৃতি সন্তান তারেক রহমানকে নিয়ে তানভীরসহ কয়েকজন আপত্তিকর মন্তব্য করে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। তিনি গাজী সালাউদ্দিন তানভীরের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে গত ২ আগস্ট বগুড়া সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাফতুন আহমেদ খান রুবেল সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলাটি করেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ২৯ জুলাই গাজী সালাউদ্দিন তানভীরের ফেসবুক আইডিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে একটি পোস্ট দেখতে পান বাদী। ওই পোস্টে মানহানিকর ও উসকানিমূলক মন্তব্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিভিন্ন মহলে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হলে পরে সেটি মুছে ফেলা হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।
এদিকে বগুড়া গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার জানিয়েছেন, গ্রেপ্তার হওয়া আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড আবেদন করা হবে। আদালত প্রাঙ্গণে কোনো বড় ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি এবং পুরো পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে ছিল।





















