সাইবার সিকিউরিটিতে পুলিশ সদস্যদের উচ্চতর প্রশিক্ষণের উদ্যোগ
- আপডেট সময় : ০৩:৩৬:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৪৫ বার পড়া হয়েছে
সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে পূর্ণাঙ্গ ও প্রাতিষ্ঠানিক সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠন করা হবে। পাশাপাশি পুলিশ সদস্যদের উচ্চতর প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ পুলিশ স্টাফ কলেজের (পিএসসি) পরিচালনা বোর্ডের ২১তম সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
গঠন হবে পূর্ণাঙ্গ সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশ বাহিনীতে প্রকৌশল, তথ্যপ্রযুক্তি ও কম্পিউটার সায়েন্সের ব্যাকগ্রাউন্ডের অনেক সদস্য রয়েছেন। তাদের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে একজন অতিরিক্ত আইজিপির নেতৃত্বে সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা চলছে।
বর্তমানে পুলিশ সদর দপ্তর, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাইবার ইউনিট ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) অ্যাডহক ভিত্তিতে ডিজিটাল অপরাধের তদন্ত ও ফরেনসিক বিশ্লেষণ করছে। তবে এসব কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে স্থায়ী ও সমন্বিত কাঠামোর প্রয়োজন রয়েছে বলে জানান তিনি।
আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণের ওপর জোর
পুলিশের দক্ষতা ও মনোবল বাড়াতে প্রশিক্ষণের ওপর সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, মাস্টার ট্রেইনার পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আরও দক্ষ করে তুলতে অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণের সুযোগ বাড়ানো প্রয়োজন।
প্রয়োজনে বিদেশ থেকে প্রশিক্ষক এনে কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি আধুনিক প্রশিক্ষণ সুবিধাও গড়ে তোলা হবে। এর মাধ্যমে সাইবার স্পেসসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশকে আরও প্রস্তুত করা হবে।
সভায় যেসব বিষয়ে আলোচনা
পিএসসির পরিচালনা বোর্ডের সভায় বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ, বিদেশে প্রশিক্ষণের জন্য অর্থ বরাদ্দ, গবেষণা ও উদ্ভাবন সেন্টার প্রতিষ্ঠা এবং পিএসসির অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়।
এ ছাড়া মাস্টার্স ইন ফরেনসিক সায়েন্স এবং মাস্টার্স ইন ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম অ্যান্ড গভর্ন্যান্স কোর্স চালুর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। সভায় সার্কভুক্ত দেশগুলোর প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করা হয়।
সভা শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুলিশ স্টাফ কলেজের ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন।
























