দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের ফসফরাস বোমা
- আপডেট সময় : ০৬:২৩:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৩৮ বার পড়া হয়েছে
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে আবারও সাদা ফসফরাস বোমা ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, নাবাতিয়েহ গভর্নরেটের বিভিন্ন জলপাই ও পাইন বাগান লক্ষ্য করে ফসফরাস গোলা নিক্ষেপ করা হয়েছে, যার ফলে একাধিক স্থানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ) জানিয়েছে, ইয়ারুন, আরনুন এবং বিন্ত জবেইল শহরের বনাঞ্চল ও কৃষিজমিতে রাতভর গোলাবর্ষণের সময় ফসফরাস বোমা ব্যবহার করা হয়। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বাসিন্দা ও উদ্ধারকর্মীরা তা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালান। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ফসফরাস গোলা নিক্ষেপের পাশাপাশি স্থানীয় সময় রাত ১টার কিছু পর নাবাতিয়েহ আল-ফাওকার উপকণ্ঠে একটি বিমান হামলা চালায় ইসরাইলি বাহিনী। এছাড়া বুয়ুত আল-সাইয়াদ এলাকায় একটি ইসরাইলি ড্রোন থেকে সাউন্ড বোমা ফেলারও অভিযোগ করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো দীর্ঘদিন ধরে জনবসতিপূর্ণ এলাকায় সাদা ফসফরাস ব্যবহারের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী, সাদা ফসফরাসের ব্যবহার কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত। বিশেষ করে বেসামরিক জনগণ বা জনবসতির কাছাকাছি এ ধরনের দাহ্য অস্ত্র ব্যবহার গুরুতর ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।
তবে ফসফরাস বোমা ব্যবহারের সর্বশেষ এই অভিযোগের বিষয়ে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে যুদ্ধবিরতি ও কূটনৈতিক আলোচনা চললেও দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলের বিমান হামলা, ড্রোন অভিযান ও গোলাবর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। একই সময়ে নতুন দফার আলোচনার প্রস্তুতিও চলছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে নতুন দফার আলোচনা মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ইতালির রোমে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। আলোচনায় সীমান্ত নিরাপত্তা, ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার এবং বিতর্কিত সীমান্ত অঞ্চল নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
যুদ্ধবিরতির পর দক্ষিণ লেবাননের কিছু গ্রামে বাসিন্দারা ফিরতে শুরু করলেও পরিস্থিতি এখনও অস্থির। এলাকায় ইসরাইলি সেনা ও নজরদারি ড্রোনের উপস্থিতির কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে।





















