উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন দুই গৃহবধূ, এক কলেজছাত্রী, এক কিশোরী ও এক ব্যবসায়ী।
গত ২৩ আগস্ট জামালপুর শহরের শেখের ভিটা রেলক্রসিং এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে গৃহবধূ ইশরাত জাহানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তাঁর স্বামীকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
এর চার দিন পর ২৭ আগস্ট মাদারগঞ্জে একটি দোকান থেকে ভাঙারি ব্যবসায়ী সামিউল ইসলামের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন ২৮ আগস্ট কৃষিজমির পাশে থাকা একটি সেচপাম্পের ঘর থেকে কিশোরী রূপসী আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
একই দিন রাতে জামালপুর শহরের একটি ভাড়া বাসা থেকে কলেজছাত্রী ইসরাত জাহান রিমার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সর্বশেষ ২৯ আগস্ট নান্দিনা রেলস্টেশন সংলগ্ন একটি বাসা থেকে গৃহবধূ শারমিন আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মৃত্যুর কারণ নিয়ে তদন্ত
পুলিশ জানিয়েছে, পাঁচটি ঘটনারই আলাদা করে তদন্ত চলছে। প্রতিটি মৃত্যুর পেছনের কারণ ও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ করছেন তদন্ত কর্মকর্তারা।
পুলিশের ভাষ্য, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। কোনো ঘটনায় অপরাধের সংশ্লিষ্টতা থাকলে তদন্তের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিরাপত্তা জোরদারের দাবি
এক সপ্তাহে পরপর পাঁচটি মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে আবাসিক এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদারের দাবি জানিয়েছেন বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের মতে, ভাড়াটিয়াদের তথ্য নিয়মিত সংরক্ষণ, বাড়ির মালিকদের সতর্কতা এবং সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। পাশাপাশি সন্দেহজনক কোনো ঘটনা দেখলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন তারা।