০৫:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

তৃণমূলের হৃদয়ে জিন্নাত শেখ, জনসেবাই যার রাজনীতির মূলমন্ত্র

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৮:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫১৩ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজনীতিকে অনেকেই কেবল ক্ষমতার সমীকরণ হিসেবে দেখেন। তবে বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় এই প্রচলিত ধারণার বাইরে গিয়ে এক ভিন্ন রাজনৈতিক আবহ তৈরি করেছেন মো. জিন্নাত শেখ। উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই নেতা সাধারণ মানুষ আর তৃণমূল কর্মীদের কাছে হয়ে উঠেছেন নির্ভরতা ও আস্থার এক অনন্য প্রতীক। সাংগঠনিক শৃঙ্খলা, সততা আর নিরলস জনকল্যাণমুখী কাজের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থানীয় রাজনীতিতে তিনি এখন সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মুখগুলোর একটি।

জিন্নাত শেখের রাজনীতির মূল শক্তি তার তৃণমূলমুখী নেতৃত্ব। কর্মীদের সরাসরি মূল্যায়ন করা এবং নিয়মিত মাঠপর্যায়ে যোগাযোগের মাধ্যমে তিনি চিতলমারীতে বিএনপির একটি শক্তিশালী ও সুশৃঙ্খল সাংগঠনিক ভিত্তি গড়ে তুলেছেন। তার কাছে রাজনীতি কেবল ক্ষমতা চর্চার মাধ্যম নয়, বরং মানুষের সেবামূলক এক বৃহৎ প্ল্যাটফর্ম।

নিজের এই রাজনৈতিক দর্শন সম্পর্কে মো. জিন্নাত শেখ বেশ আত্মবিশ্বাসী। তিনি বলেন, ‘চিতলমারী উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি হিসেবে আমি গর্বের সঙ্গে বলতে চাই, আমাদের সংগঠন সবসময় বিএনপির মূল আদর্শ ও লক্ষ্য অর্জনে অবিচল। সাধারণ মানুষ এবং দলের দুর্দিনের কর্মীদের পাশে থাকাই আমাদের প্রধান দায়িত্ব।’

তার এই কথার সুস্পষ্ট প্রতিফলন মেলে মাঠের রাজনীতিতেও। যেকোনো সামাজিক বা রাজনৈতিক সংকটে তিনি সরাসরি মাঠে থেকে মানুষের পাশে দাঁড়ান। দলীয় কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়ন করেন সুচারুভাবে। নেতা হিসেবে অত্যন্ত আন্তরিক ও সহজলভ্য হওয়ার কারণে তৃণমূল কর্মীদের মনোবল সবসময়ই চাঙ্গা থাকে। নিজের কর্মীদের প্রতি অগাধ ভালোবাসা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমার উপজেলার প্রতিটি মৎস্যজীবী দলের নেতা-কর্মীই আমার মূল চালিকাশক্তি। তাদের সুখ-দুঃখে আমি সবসময় পাশে আছি এবং আজীবন থাকব।’

জিন্নাত শেখের এই দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণেই চিতলমারীর মৎস্যজীবী দল আজ জেলার অন্যতম শক্তিশালী ও ‘স্মার্ট সংগঠন’ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। অভ্যন্তরীণ দৃঢ় ঐক্য, কড়া শৃঙ্খলা এবং জনসম্পৃক্ততার কারণে জেলার অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনগুলোর মধ্যে এটি এখন শীর্ষস্থানে অবস্থান করছে।

কেবল দলীয় গণ্ডিতেই আটকে নেই তার কার্যক্রম; সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গাতেও তিনি সমানভাবে সক্রিয়। সামাজিক নানা উদ্যোগে তার এই সরব উপস্থিতি তাকে সাধারণ জনগণের হৃদয়ে জায়গা করে দিয়েছে। রাজনীতি ও সমাজের মেলবন্ধন ঘটিয়ে তিনি বলেন, ‘রাজনীতি আমাদের কাছে নিছক ক্ষমতার লড়াই নয়, বরং মানুষের সামগ্রিক কল্যাণে নিবেদিত হওয়ার অঙ্গীকার। চিতলমারী মৎস্যজীবী দল অতীতেও সাধারণ মানুষের পাশে ছিল, বর্তমানে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।’

স্থানীয় বাসিন্দা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কেবল কথায় নয়, কাজেও জেন্নাত শেখ প্রমাণ করেছেন যে সততা, নিষ্ঠা ও সাধারণ মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা থাকলে রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। চিতলমারীর প্রান্তিক জনপদে তিনি এখন শুধুই একজন রাজনৈতিক নেতা নন, বরং সাধারণ মানুষের এক বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য অভিভাবক।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

তৃণমূলের হৃদয়ে জিন্নাত শেখ, জনসেবাই যার রাজনীতির মূলমন্ত্র

আপডেট সময় : ০৪:৩৮:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

রাজনীতিকে অনেকেই কেবল ক্ষমতার সমীকরণ হিসেবে দেখেন। তবে বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় এই প্রচলিত ধারণার বাইরে গিয়ে এক ভিন্ন রাজনৈতিক আবহ তৈরি করেছেন মো. জিন্নাত শেখ। উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই নেতা সাধারণ মানুষ আর তৃণমূল কর্মীদের কাছে হয়ে উঠেছেন নির্ভরতা ও আস্থার এক অনন্য প্রতীক। সাংগঠনিক শৃঙ্খলা, সততা আর নিরলস জনকল্যাণমুখী কাজের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থানীয় রাজনীতিতে তিনি এখন সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মুখগুলোর একটি।

জিন্নাত শেখের রাজনীতির মূল শক্তি তার তৃণমূলমুখী নেতৃত্ব। কর্মীদের সরাসরি মূল্যায়ন করা এবং নিয়মিত মাঠপর্যায়ে যোগাযোগের মাধ্যমে তিনি চিতলমারীতে বিএনপির একটি শক্তিশালী ও সুশৃঙ্খল সাংগঠনিক ভিত্তি গড়ে তুলেছেন। তার কাছে রাজনীতি কেবল ক্ষমতা চর্চার মাধ্যম নয়, বরং মানুষের সেবামূলক এক বৃহৎ প্ল্যাটফর্ম।

নিজের এই রাজনৈতিক দর্শন সম্পর্কে মো. জিন্নাত শেখ বেশ আত্মবিশ্বাসী। তিনি বলেন, ‘চিতলমারী উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি হিসেবে আমি গর্বের সঙ্গে বলতে চাই, আমাদের সংগঠন সবসময় বিএনপির মূল আদর্শ ও লক্ষ্য অর্জনে অবিচল। সাধারণ মানুষ এবং দলের দুর্দিনের কর্মীদের পাশে থাকাই আমাদের প্রধান দায়িত্ব।’

তার এই কথার সুস্পষ্ট প্রতিফলন মেলে মাঠের রাজনীতিতেও। যেকোনো সামাজিক বা রাজনৈতিক সংকটে তিনি সরাসরি মাঠে থেকে মানুষের পাশে দাঁড়ান। দলীয় কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়ন করেন সুচারুভাবে। নেতা হিসেবে অত্যন্ত আন্তরিক ও সহজলভ্য হওয়ার কারণে তৃণমূল কর্মীদের মনোবল সবসময়ই চাঙ্গা থাকে। নিজের কর্মীদের প্রতি অগাধ ভালোবাসা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমার উপজেলার প্রতিটি মৎস্যজীবী দলের নেতা-কর্মীই আমার মূল চালিকাশক্তি। তাদের সুখ-দুঃখে আমি সবসময় পাশে আছি এবং আজীবন থাকব।’

জিন্নাত শেখের এই দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণেই চিতলমারীর মৎস্যজীবী দল আজ জেলার অন্যতম শক্তিশালী ও ‘স্মার্ট সংগঠন’ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। অভ্যন্তরীণ দৃঢ় ঐক্য, কড়া শৃঙ্খলা এবং জনসম্পৃক্ততার কারণে জেলার অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনগুলোর মধ্যে এটি এখন শীর্ষস্থানে অবস্থান করছে।

কেবল দলীয় গণ্ডিতেই আটকে নেই তার কার্যক্রম; সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গাতেও তিনি সমানভাবে সক্রিয়। সামাজিক নানা উদ্যোগে তার এই সরব উপস্থিতি তাকে সাধারণ জনগণের হৃদয়ে জায়গা করে দিয়েছে। রাজনীতি ও সমাজের মেলবন্ধন ঘটিয়ে তিনি বলেন, ‘রাজনীতি আমাদের কাছে নিছক ক্ষমতার লড়াই নয়, বরং মানুষের সামগ্রিক কল্যাণে নিবেদিত হওয়ার অঙ্গীকার। চিতলমারী মৎস্যজীবী দল অতীতেও সাধারণ মানুষের পাশে ছিল, বর্তমানে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।’

স্থানীয় বাসিন্দা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কেবল কথায় নয়, কাজেও জেন্নাত শেখ প্রমাণ করেছেন যে সততা, নিষ্ঠা ও সাধারণ মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা থাকলে রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। চিতলমারীর প্রান্তিক জনপদে তিনি এখন শুধুই একজন রাজনৈতিক নেতা নন, বরং সাধারণ মানুষের এক বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য অভিভাবক।