০৬:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

‘গ্লোবাল হেলথ অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ পেলেন ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ০২:৩৪:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
  • / ১৫৪৮ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চিকিৎসা শিক্ষার আধুনিকায়ন, অগ্রগামী হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা এবং স্বাস্থ্যখাতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মর্যাদাপূর্ণ ‘গ্লোবাল হেলথ অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ পেয়েছেন রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী।

বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর দ্য ওয়েস্টিন ঢাকা হোটেলে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাঁর হাতে এই সম্মাননা তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসির খান চৌধুরী, এমপি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অর্থকন্ঠ এবং বিজনেস আমেরিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক এনামুল হক এনাম। এনআরবি ওয়ার্ল্ড, বিজনেস আমেরিকা ম্যাগাজিন এবং সাপ্তাহিক অর্থকণ্ঠের যৌথ উদ্যোগে এই বিশেষ সেমিনার ও অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়।

ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী বিগত দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন, নৈতিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতকরণ এবং জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি সংস্কারে দূরদর্শী ভূমিকা পালন করে আসছেন। ২০০৪ সালে তৎকালীন আয়েশা মেমোরিয়াল স্পেশালাইজড হাসপাতালে যোগদানের পর তাঁর অসামান্য প্রশাসনিক দূরদর্শিতা ও প্রচেষ্টায় ২০১৩ সালে এটি দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল’-এ রূপান্তরিত হয়।

তাঁর দক্ষ পরিচালনায় প্রতিষ্ঠানটি আজ ইউনিভার্সেল কার্ডিয়াক হাসপাতাল, ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ এবং ইউনিভার্সেল নার্সিং কলেজসহ একটি বৃহৎ, স্বনামধন্য ও অন্যতম রেফারেল স্বাস্থ্যসেবা হাবে পরিণত হয়েছে। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) এবং বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএমসিএ)-এর মতো মর্যাদাপূর্ণ জাতীয় সংগঠনের সাথে যুক্ত থাকার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত রয়েছেন।

ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী তাঁর এই মাইলফলক ছোঁয়ার পেছনে বড় বোন ও ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান, আইকনিক নারী উদ্যোক্তা প্রীতি চক্রবর্তীর নিরলস সমর্থন ও দিকনির্দেশনার কথা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি তাঁর স্ত্রী – করপোরেট ব্যক্তিত্ব নীতা চক্রবর্তী এবং একমাত্র পুত্র দিব্যময় চক্রবর্তী (রিজু)-কে নিয়ে ঢাকায় বসবাস করছেন। ডাঃ আশীষ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার উচালিয়া পাড়ার স্বর্গীয় আশুতোষ চক্রবর্ত্তী ও পূষ্প চক্রবর্ত্তীর পুত্র।

উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানটিতে “Role of Non-Resident Bangladeshi (NRB) Scientists in Advancing Biotech and Biosimilar Drugs in Bangladesh’s Pharmaceutical Industry” শীর্ষক মূল প্রতিপাদ্যের ওপর ফলপ্রসূ আলোচনা এবং “100 Healthcare Titans of Bangladesh” বিশেষ স্মারক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে দেশের চিকিৎসা ও ওষুধ খাতের শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানী, নীতিনির্ধারক, করপোরেট নেতৃবৃন্দ এবং সংবাদমাধ্যমের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

‘গ্লোবাল হেলথ অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ পেলেন ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী

আপডেট সময় : ০২:৩৪:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

চিকিৎসা শিক্ষার আধুনিকায়ন, অগ্রগামী হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা এবং স্বাস্থ্যখাতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মর্যাদাপূর্ণ ‘গ্লোবাল হেলথ অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ পেয়েছেন রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী।

বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর দ্য ওয়েস্টিন ঢাকা হোটেলে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাঁর হাতে এই সম্মাননা তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসির খান চৌধুরী, এমপি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অর্থকন্ঠ এবং বিজনেস আমেরিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক এনামুল হক এনাম। এনআরবি ওয়ার্ল্ড, বিজনেস আমেরিকা ম্যাগাজিন এবং সাপ্তাহিক অর্থকণ্ঠের যৌথ উদ্যোগে এই বিশেষ সেমিনার ও অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়।

ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী বিগত দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন, নৈতিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতকরণ এবং জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি সংস্কারে দূরদর্শী ভূমিকা পালন করে আসছেন। ২০০৪ সালে তৎকালীন আয়েশা মেমোরিয়াল স্পেশালাইজড হাসপাতালে যোগদানের পর তাঁর অসামান্য প্রশাসনিক দূরদর্শিতা ও প্রচেষ্টায় ২০১৩ সালে এটি দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল’-এ রূপান্তরিত হয়।

তাঁর দক্ষ পরিচালনায় প্রতিষ্ঠানটি আজ ইউনিভার্সেল কার্ডিয়াক হাসপাতাল, ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ এবং ইউনিভার্সেল নার্সিং কলেজসহ একটি বৃহৎ, স্বনামধন্য ও অন্যতম রেফারেল স্বাস্থ্যসেবা হাবে পরিণত হয়েছে। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) এবং বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএমসিএ)-এর মতো মর্যাদাপূর্ণ জাতীয় সংগঠনের সাথে যুক্ত থাকার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত রয়েছেন।

ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী তাঁর এই মাইলফলক ছোঁয়ার পেছনে বড় বোন ও ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান, আইকনিক নারী উদ্যোক্তা প্রীতি চক্রবর্তীর নিরলস সমর্থন ও দিকনির্দেশনার কথা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি তাঁর স্ত্রী – করপোরেট ব্যক্তিত্ব নীতা চক্রবর্তী এবং একমাত্র পুত্র দিব্যময় চক্রবর্তী (রিজু)-কে নিয়ে ঢাকায় বসবাস করছেন। ডাঃ আশীষ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার উচালিয়া পাড়ার স্বর্গীয় আশুতোষ চক্রবর্ত্তী ও পূষ্প চক্রবর্ত্তীর পুত্র।

উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানটিতে “Role of Non-Resident Bangladeshi (NRB) Scientists in Advancing Biotech and Biosimilar Drugs in Bangladesh’s Pharmaceutical Industry” শীর্ষক মূল প্রতিপাদ্যের ওপর ফলপ্রসূ আলোচনা এবং “100 Healthcare Titans of Bangladesh” বিশেষ স্মারক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে দেশের চিকিৎসা ও ওষুধ খাতের শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানী, নীতিনির্ধারক, করপোরেট নেতৃবৃন্দ এবং সংবাদমাধ্যমের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।