খাগড়াছড়িতে প্রস্তুত বাংলাদেশ-ভারত প্রথম মৈত্রী সেতু
- আপডেট সময় : ১২:১৪:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
- / ১৫৬১ বার পড়া হয়েছে
প্রস্তুত ‘বাংলাদেশ-ভারত প্রথম মৈত্রী সেতু’। আন্তর্জাতিক মানের প্যাসেঞ্জার টার্মিনালও প্রস্তুত। তবুও শুরু হচ্ছে না রামগড়-সাব্রুম সীমান্ত দিয়ে যাত্রী পারাপার। চট্টগ্রাম থেকে মাত্র কয়েক ঘণ্টায় ভারত আসা- যাওয়ার এই সম্ভাবনাময় রুটটি এখনো ফাইলবন্দি হয়ে পড়ে আছে। যা নিয়ে বাড়ছে জনমনে প্রশ্ন। একইভাবে লক্ষণ নেই রামগড় স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানী কার্যক্রম চালুর উদ্যোগও।
পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির রামগড়ের ফেনী নদীর ওপর ৪১২ মিটার দীর্ঘ বাংলাদেশ-ভারতের প্রথম মৈত্রী সেতু নির্মাণ কাজ শেষ হলেও এখনও মেলেনি পারাপারের অনুমতি। ইমিগ্রেশন ডেস্ক, কাস্টমস বুথসহ সব অবকাঠামো প্রস্তুত। কিন্তু অব্যবহৃত অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে বাস টার্মিনাল।
স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানী কার্যক্রম চালানোর জন্য ইয়ার্ড, লোড-আনলোড ব্যবস্থা, ওজন স্কেল, প্রশাসনিক ভবন এবং ওয়্যারহাউজ নির্মাণও শেষ। চট্টগ্রাম বন্দরের মাত্র ৬১ কিলোমিটার দূরত্বে হওয়ায় বাণিজ্যের বড় সম্ভাবনা রয়েছে। এটি চালু হলে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্যের সঙ্গে বাণিজ্যের নতুন দ্বার খুলবে।
স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, সব কিছু ঠিক থাকলেও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হয়েছিল। নতুন সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর আশার আলো দেখছেন স্থানীয়রা।
ক্যামেরার সামনে কথা না বললেও রামগড় স্থলবন্দর উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক মো: শামছুল আলম মুঠোফোনে জানিয়েছেন, এখন শুধু দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের অনুমোদনের অপেক্ষা। জেলা প্রশাসক বলছেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ সরকারের ওপর নির্ভরশীল।
স্থানীয়দের দাবি, এখনই মালামাল আমদানি-রপ্তানী শুরু না হলেও দ্রুত আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কাটিয়ে চালু করা হোক বহুল প্রতীক্ষিত রামগড় ইমিগ্রেশন সেন্টার। এটি চালু হলে কেবল খাগড়াছড়িই নয়, পার্শ্ববর্তী দুটি পার্বত্য জেলা, চট্টগ্রাম এবং আশপাশের লাখো মানুষ সহজে ভারতে যাতায়াতের সুযোগ পাবেন।
























