কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে বাচ্চা উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী টুকুর
- আপডেট সময় : ০৪:০৪:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৫৮ বার পড়া হয়েছে
ঢাকার মিরপুরে কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উন্নত জাতের মুরগির বাচ্চা (ডিওসি) উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। একই সঙ্গে খামারের ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর, অনুপযোগী শেড সংস্কার এবং জনবল সংকট নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে কেন্দ্রীয় মুরগি খামার পরিদর্শনকালে এসব নির্দেশনা দেন প্রতিমন্ত্রী।
খামারের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী খামারের বিভিন্ন শেড, হ্যাচারি, ফিড কারখানা ও অন্যান্য কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। এ সময় উন্নত জাতের মুরগির বাচ্চা উৎপাদন, বাচ্চা ও ডিম বিক্রি এবং মুরগির খাবার উৎপাদনসহ সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে তথ্য নেন।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, উন্নয়নের জন্য যেসব প্রকল্প নেওয়া হয়েছে, সেগুলোর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি খামারের ব্যবস্থাপনা আরও সুন্দর ও কার্যকর করার মাধ্যমে উৎপাদন বাড়াতে হবে।
প্রান্তিক খামারিরা হবেন লাভবান
প্রতিমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উৎপাদিত বাচ্চা প্রান্তিক খামারিরা সংগ্রহ করে লালন-পালন ও বিক্রি করেন। তাই বাচ্চার উৎপাদন বাড়লে প্রান্তিক খামারিরাও বেশি লাভবান হবেন।
তিনি আরও বলেন, এর মাধ্যমে দেশের প্রাণিজ প্রোটিনের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে বাজারে মুরগির বাচ্চার সংকট ও অস্থিতিশীলতা কমাতেও উৎপাদন বাড়ানো প্রয়োজন।
অনুপযোগী শেড সংস্কারের নির্দেশ
মুরগির বাচ্চার বাজারে অস্থিতিশীলতা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, উন্নত জাতের বাচ্চা উৎপাদন ও প্রান্তিক খামারিদের মধ্যে সরবরাহ কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে। এতে বাজারের সংকট কমাতে সহায়তা করবে কেন্দ্রীয় মুরগি খামার।
পরিদর্শনকালে কয়েকটি মুরগি ও বাচ্চা পালনের শেড ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় সেগুলো দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ দেন তিনি। পাশাপাশি খামারের জনবল সংকট দূর করার বিষয়েও দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন।
এ সময় কর্মচারীরা যথাসময়ে অফিসে আসছেন কি না এবং উপস্থিতির হার কেমন, সেটিও তদারকি করেন প্রতিমন্ত্রী। খামারের উন্নয়নে নেওয়া বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি ও বাস্তবায়ন পরিস্থিতিও তিনি পর্যবেক্ষণ করেন।
পরিদর্শনকালে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, কেন্দ্রীয় মুরগি খামারের পরিচালক জিনাত সুলতানা, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক আব্দুর রহিম, সহকারী পরিচালক (গোট ফার্মস) ডা. কবির উদ্দিন আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

























