০৭:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৬৯৩ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলের ফ্লোরেস দ্বীপের কাছে শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২০ জনে দাঁড়িয়েছে। শনিবার ভোরে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে আরও ছয়জন আহত হয়েছেন।

মাউমেরে অনুসন্ধান ও উদ্ধার কর্মকর্তা ফাতুর রহমান জানিয়েছেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো দুজন আটকা পড়ে আছেন। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার অভিযান চলছে।

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে শনিবার ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৩ জন। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো কয়েকজন আটকা পড়ে থাকায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ইন্দোনেশিয়ার ভূ-পদার্থবিজ্ঞান সংস্থা বিএমকেজি জানায়, স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ৫৮ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১৫ কিলোমিটার গভীরে। পরে ওই এলাকায় কয়েকটি আফটারশক অনুভূত হয়।

জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা (বিএনপিবি) জানায়, স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা পর্যন্ত ৩৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিহতদের মধ্যে কয়েকজন ভবন ধসে মারা যান। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর।

ভূমিকম্পের পর ইন্দোনেশিয়ার কয়েকটি উপকূলীয় এলাকায় এক মিটারের কম উচ্চতার সুনামি ঢেউ আঘাত হানে। প্রায় তিন ঘণ্টা পর সুনামির সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়। প্রায় দুই হাজার মানুষ নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন।

সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে পূর্ব নুসা তেংগারা প্রদেশের ফ্লোরেস দ্বীপের সিক্কা রিজেন্সি। প্রধান শহর ও বন্দরনগরী মাউমেরেতে উদ্ধারকর্মীরা ২০ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছেন। সেখানে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে মানুষ আটকা পড়ার খবর পাওয়া গেছে।

ভূমিকম্পের কেন্দ্রের কাছের নাজেকেও এলাকায় এখনো উদ্ধারকারী দল পৌঁছাতে পারেনি। ভূমিধসের কারণে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গাড়িতে করে সেখানে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। উদ্ধারকারীদের একটি দল ফেরিতে করে ওই এলাকায় যাওয়ার চেষ্টা করছে।

নাজেকেওতে বেশ কয়েকটি বাড়ি, গুদাম ও সরকারি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা ও যানজটের খবরও পাওয়া গেছে।

ইন্দোনেশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত। টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থানের কারণে দেশটিতে প্রায়ই শক্তিশালী ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩৮

আপডেট সময় : ১১:০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলের ফ্লোরেস দ্বীপের কাছে শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২০ জনে দাঁড়িয়েছে। শনিবার ভোরে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে আরও ছয়জন আহত হয়েছেন।

মাউমেরে অনুসন্ধান ও উদ্ধার কর্মকর্তা ফাতুর রহমান জানিয়েছেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো দুজন আটকা পড়ে আছেন। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার অভিযান চলছে।

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে শনিবার ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৩ জন। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো কয়েকজন আটকা পড়ে থাকায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ইন্দোনেশিয়ার ভূ-পদার্থবিজ্ঞান সংস্থা বিএমকেজি জানায়, স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ৫৮ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১৫ কিলোমিটার গভীরে। পরে ওই এলাকায় কয়েকটি আফটারশক অনুভূত হয়।

জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা (বিএনপিবি) জানায়, স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা পর্যন্ত ৩৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিহতদের মধ্যে কয়েকজন ভবন ধসে মারা যান। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর।

ভূমিকম্পের পর ইন্দোনেশিয়ার কয়েকটি উপকূলীয় এলাকায় এক মিটারের কম উচ্চতার সুনামি ঢেউ আঘাত হানে। প্রায় তিন ঘণ্টা পর সুনামির সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়। প্রায় দুই হাজার মানুষ নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন।

সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে পূর্ব নুসা তেংগারা প্রদেশের ফ্লোরেস দ্বীপের সিক্কা রিজেন্সি। প্রধান শহর ও বন্দরনগরী মাউমেরেতে উদ্ধারকর্মীরা ২০ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছেন। সেখানে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে মানুষ আটকা পড়ার খবর পাওয়া গেছে।

ভূমিকম্পের কেন্দ্রের কাছের নাজেকেও এলাকায় এখনো উদ্ধারকারী দল পৌঁছাতে পারেনি। ভূমিধসের কারণে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গাড়িতে করে সেখানে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। উদ্ধারকারীদের একটি দল ফেরিতে করে ওই এলাকায় যাওয়ার চেষ্টা করছে।

নাজেকেওতে বেশ কয়েকটি বাড়ি, গুদাম ও সরকারি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা ও যানজটের খবরও পাওয়া গেছে।

ইন্দোনেশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত। টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থানের কারণে দেশটিতে প্রায়ই শক্তিশালী ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে।