ইন্দোনেশিয়ার ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২০
- আপডেট সময় : ১১:০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৩৭ বার পড়া হয়েছে
ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলের ফ্লোরেস দ্বীপের কাছে শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২০ জনে দাঁড়িয়েছে। শনিবার ভোরে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে আরও ছয়জন আহত হয়েছেন।
মাউমেরে অনুসন্ধান ও উদ্ধার কর্মকর্তা ফাতুর রহমান জানিয়েছেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো দুজন আটকা পড়ে আছেন। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার অভিযান চলছে।
ভূমিকম্পের পর হাজারো মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যান। সবচেয়ে বেশি আতঙ্ক ছড়ায় কেন্দ্রের কাছের নাগেকেও রিজেন্সিতে। সেখানে বাসিন্দারা সমুদ্রের পানি সরে যেতে দেখে সুনামির আশঙ্কায় দ্রুত উঁচু এলাকায় চলে যান।
পরে ইন্দোনেশিয়ার কর্তৃপক্ষ সুনামির সতর্কতা তুলে নেয়। তবে দুর্বল ভবনে না ফেরার জন্য মানুষকে সতর্ক করা হয়েছে। কারণ পরবর্তী আফটার শকে ভবন ধসে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইন্দোনেশিয়ার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল ফ্লোরেস দ্বীপের উত্তর উপকূলের কাছে। উপকূলীয় শহর এন্দে থেকে এটি প্রায় ৬৮ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে। অগভীর ভূমিকম্প হওয়ায় আশপাশের এলাকায় এর প্রভাব বেশি অনুভূত হয়েছে।
প্রধান কম্পনের পর কয়েকটি শক্তিশালী আফটার শক অনুভূত হয়েছে। এর মধ্যে একটি কম্পনের মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ১। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিরূপণ করা যায়নি।
মাউমেরে শহরের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের সময় হাসপাতালের রোগীদেরও নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। কয়েকটি ভবনের দেয়ালে ফাটল দেখা গেছে।
ইন্দোনেশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অব ফায়ার’ এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় দেশটিতে প্রায়ই শক্তিশালী ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে। এর আগে ১৯৯২ সালে ফ্লোরেসে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পের পর সুনামিতে প্রায় ২ হাজার ৫০০ মানুষ মারা যান।
২০০৪ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্প ও সুনামিতে ইন্দোনেশিয়ায় প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার মানুষ প্রাণ হারান। এছাড়া ২০১৮ সালে লম্বক ও সুলাওয়েসি অঞ্চলের ভূমিকম্প ও সুনামিতেও হাজারো মানুষের মৃত্যু হয়।























