সীমান্তে পুশইন ঠেকাতে বিজিবির কড়া সতর্কতা
- আপডেট সময় : ১১:৫৪:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
- / ১৫৮১ বার পড়া হয়েছে
সীমান্তের ওপারে উত্তেজনা তৈরি করে বিএসএফের পুশইনের অপচেষ্টা ঠেকাতে দিন-রাত সতর্ক বিজিবি। তবে এই লড়াইয়ে তারা একা নয়। লালমনিরহাটের সীমান্তজুড়ে বিজিবির পাশে দাঁড়িয়েছে সাধারণ মানুষ। দেশপ্রেম আর মানবিকতার এমন দৃশ্য এখন দেখা যাচ্ছে জেলার বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায়।
কাঁটাতারের ওপারে উত্তেজনা, আর এপারে সতর্ক প্রহরা। সীমান্তে অনুপ্রবেশ রোধে শুধু বিজিবিই নয়, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়েছে সীমান্ত এলাকার সাধারণ মানুষও। কখনো হাতে লাঠি নিয়ে টহলরত বিজিবির পাশে অবস্থান, আবার কখনো সাহস জোগানো—লালমনিরহাট সীমান্তে দেখা যাচ্ছে এই অনন্য দৃশ্য। বাংলাদেশের বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্টে ভারতের সাম্প্রতিক পুশইনের অপচেষ্টা বাড়ায় সীমান্ত এলাকায় উদ্বেগ-উত্তেজনা থাকলেও দেশপ্রেম আর দায়িত্ববোধের উজ্জ্বল নজির গড়ছেন সীমান্তবাসী।
সম্প্রতি লালমনিরহাটের আদিতমারী, হাতীবান্ধা ও পাটগ্রামের বিভিন্ন সীমান্তে প্রায় ৩৩ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের অপচেষ্টা চালানো হলে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তা প্রতিহত করে বিজিবি।
১৫,৫১,৬১ ব্যাটালিয়ন বিজিবির আওতাধীন লালমনিরহাট জেলায় প্রায় ২৮৩ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তজুড়ে এখন বাড়তি সতর্কতা। বিশেষ করে কাঁটাতারবিহীন ৭৪ কিলোমিটার এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। সেই সতর্কতার অংশ হয়ে ওঠা সীমান্তের সাধারণ মানুষ মাইকিং করে ও লাঠি হাতে কখনো স্লোগান দিচ্ছেন, কখনো-বা একযোগে ছুটছেন সীমান্তবর্তী এলাকায়। সীমান্তের প্রতিটা অংশ জুড়ে রয়েছে এই সম্মিলিত পাহারা।
দেশের সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব শুধু বিজিবির নয়, প্রতিটি নাগরিকেরও—এমন মনোভাবই ফুটে উঠছে সবার কর্মকাণ্ডে। অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে স্থানীয়দের সাফল্য ও সহযোগিতার কথা জানালো বিজিবি।
সীমান্তের এই দৃশ্য এখন একটাই বার্তা দেয়—দেশ রক্ষার প্রশ্নে বিজিবি ও সীমান্তবাসী আজ একই কাতারে, একই সাহসে, একই প্রতিজ্ঞায় অবিচল। জানালেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরাও।
সীমান্তে কাঁটাতারের পাশে দেখা মিলছে দেশপ্রেমের এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। বিজিবি ও সাধারণ মানুষের এই সম্মিলিত অবস্থান সীমান্ত নিরাপত্তায় যোগ করেছে নতুন শক্তি ও আস্থা।






















