একনেকে মেট্রোরেলের ৩ প্রকল্প ও ইলেকট্রিক ট্রেনসহ ১২ প্রকল্পের অনুমোদন
- আপডেট সময় : ০১:৫০:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৬৯ বার পড়া হয়েছে
রাজধানীর গণপরিবহনব্যবস্থা আরও উন্নত করতে তিনটি মেট্রোরেল প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত একনেক সভায় প্রকল্পগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেকের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। অনুমোদিত প্রকল্প তিনটি হলো—এমআরটি লাইন-১ (বিমানবন্দর-কমলাপুর), এমআরটি লাইন-৫ নর্দান রুট (হেমায়েতপুর-ভাটারা) এবং এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন রুট (গাবতলী-দাশেরকান্দি)।
তিন প্রকল্পে ব্যয় প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা
একনেকে অনুমোদন পাওয়া তিনটি মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২ লাখ ৪৯ হাজার ৭৪৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে এমআরটি লাইন-১ ও এমআরটি লাইন-৫ নর্দান রুটের ব্যয় ও বাস্তবায়ন মেয়াদ সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে।
অন্যদিকে, এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন রুটকে নতুন প্রকল্প হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বিমানবন্দর-কমলাপুর মেট্রোরেলে ব্যয় ১ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা
জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের দৈর্ঘ্য ৩১ দশমিক ২৪ কিলোমিটার। বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত এই রুট নির্মাণে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ৩৯৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা।
রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব-পশ্চিম যোগাযোগব্যবস্থার অংশ হিসেবে এই মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
হেমায়েতপুর-ভাটারা রুটে ব্যয় ৮৯ হাজার কোটি টাকা
এমআরটি লাইন-৫ নর্দান রুটের দৈর্ঘ্য ২০ কিলোমিটার। হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা পর্যন্ত এই রুট নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৯ হাজার ৮৪৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।
প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল ও ব্যয় সংশোধন করে নতুন প্রস্তাব একনেকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
গাবতলী-দাশেরকান্দি রুটে থাকবে পাতাল ও উড়ালপথ
এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন রুটের দৈর্ঘ্য ১৭ দশমিক ২০ কিলোমিটার। গাবতলী থেকে দাশেরকান্দি পর্যন্ত এই রুট নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই রুটের ১৩ দশমিক ১০ কিলোমিটার হবে পাতালপথ। বাকি অংশ নির্মাণ করা হবে উড়ালপথে।
নতুন এই প্রকল্পে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থায়ন থাকবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে রাজধানীর পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলের মধ্যে দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য গণপরিবহন যোগাযোগ আরও বিস্তৃত হবে।




















