০৪:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৩:২১:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫২৬ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা সাহিত্য’ পাঠ্যবইয়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ নিবন্ধ যুক্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধকালীন তাঁর একটি ঐতিহাসিক ডায়েরির ছবিও পাঠ্যবইয়ে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) জানিয়েছে, জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটি (এনসিসিসি) নিবন্ধটি পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্তির চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের বইয়ে নতুন অধ্যায়

এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা জানিয়েছেন, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা সাহিত্য’ বইয়ে নিবন্ধটি অন্তর্ভুক্ত হবে। তাঁর ভাষ্য, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে বিভিন্ন ব্যক্তির অবদান পাঠ্যবইয়ে নিরপেক্ষভাবে তুলে ধরার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ আগস্ট মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এনসিসিসির সভায় নিবন্ধটি অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

চট্টগ্রামের প্রতিরোধ ও কালুরঘাটের স্মৃতি

নিবন্ধটিতে ১৯৭১ সালের মার্চে চট্টগ্রাম থেকে সশস্ত্র প্রতিরোধের সূচনা, পাকিস্তানি বাহিনীর গতিবিধি এবং কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার স্মৃতিচারণ রয়েছে।

এতে ২৫ মার্চের রাতের পরিস্থিতি, চট্টগ্রামে প্রতিরোধ গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত এবং পরবর্তী সময়ে পটিয়া এলাকায় মুক্তাঞ্চল গঠনের ঘটনাও তুলে ধরা হয়েছে।

নিবন্ধে জিয়াউর রহমান লিখেছেন, সংকটের মুহূর্তে দায়িত্ব গ্রহণের প্রয়োজন হয়েছিল। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি সেই দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

লেখক পরিচিতিতে যা থাকছে

এনসিটিবির কারিকুলাম সংশ্লিষ্টরা জানান, নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা সাহিত্য’ বইয়ের ২২ নম্বর গদ্য হিসেবে নিবন্ধটি স্থান পাচ্ছে। লেখক পরিচিতি অংশে জিয়াউর রহমানকে সাবেক রাষ্ট্রপতি, সেনাপ্রধান, জেড ফোর্সের অধিনায়ক, ১ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ও ‘বীর উত্তম’ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।

নিবন্ধের আগে দেওয়া ব্যাখ্যায় ১৯৭২ সালে ‘দৈনিক বাংলা’য় প্রকাশিত ‘একটি জাতির জন্ম’ এবং ১৯৮০ সালে ‘দৈনিক দেশ’-এ প্রকাশিত ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’কে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

সেখানে বাংলাদেশের স্বাধীনতা কোনো একক ব্যক্তি বা দলের কৃতিত্ব নয়—এমন বক্তব্যও রাখা হয়েছে। পাশাপাশি স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামরিক ব্যক্তিত্বের অবদানের কথা তুলে ধরা হয়েছে।

ঐতিহাসিক ডায়েরির ছবিও যুক্ত হবে

‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ নিবন্ধের পাশাপাশি জিয়াউর রহমানের তৎকালীন একটি ঐতিহাসিক ডায়েরির ছবিও পাঠ্যবইয়ে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক জানিয়েছেন, এনসিসিসির সভায় নিবন্ধটি সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন পেয়েছে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’

আপডেট সময় : ০৩:২১:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা সাহিত্য’ পাঠ্যবইয়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ নিবন্ধ যুক্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধকালীন তাঁর একটি ঐতিহাসিক ডায়েরির ছবিও পাঠ্যবইয়ে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) জানিয়েছে, জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটি (এনসিসিসি) নিবন্ধটি পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্তির চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের বইয়ে নতুন অধ্যায়

এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা জানিয়েছেন, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা সাহিত্য’ বইয়ে নিবন্ধটি অন্তর্ভুক্ত হবে। তাঁর ভাষ্য, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে বিভিন্ন ব্যক্তির অবদান পাঠ্যবইয়ে নিরপেক্ষভাবে তুলে ধরার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ আগস্ট মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এনসিসিসির সভায় নিবন্ধটি অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

চট্টগ্রামের প্রতিরোধ ও কালুরঘাটের স্মৃতি

নিবন্ধটিতে ১৯৭১ সালের মার্চে চট্টগ্রাম থেকে সশস্ত্র প্রতিরোধের সূচনা, পাকিস্তানি বাহিনীর গতিবিধি এবং কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার স্মৃতিচারণ রয়েছে।

এতে ২৫ মার্চের রাতের পরিস্থিতি, চট্টগ্রামে প্রতিরোধ গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত এবং পরবর্তী সময়ে পটিয়া এলাকায় মুক্তাঞ্চল গঠনের ঘটনাও তুলে ধরা হয়েছে।

নিবন্ধে জিয়াউর রহমান লিখেছেন, সংকটের মুহূর্তে দায়িত্ব গ্রহণের প্রয়োজন হয়েছিল। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি সেই দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

লেখক পরিচিতিতে যা থাকছে

এনসিটিবির কারিকুলাম সংশ্লিষ্টরা জানান, নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা সাহিত্য’ বইয়ের ২২ নম্বর গদ্য হিসেবে নিবন্ধটি স্থান পাচ্ছে। লেখক পরিচিতি অংশে জিয়াউর রহমানকে সাবেক রাষ্ট্রপতি, সেনাপ্রধান, জেড ফোর্সের অধিনায়ক, ১ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ও ‘বীর উত্তম’ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।

নিবন্ধের আগে দেওয়া ব্যাখ্যায় ১৯৭২ সালে ‘দৈনিক বাংলা’য় প্রকাশিত ‘একটি জাতির জন্ম’ এবং ১৯৮০ সালে ‘দৈনিক দেশ’-এ প্রকাশিত ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’কে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

সেখানে বাংলাদেশের স্বাধীনতা কোনো একক ব্যক্তি বা দলের কৃতিত্ব নয়—এমন বক্তব্যও রাখা হয়েছে। পাশাপাশি স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামরিক ব্যক্তিত্বের অবদানের কথা তুলে ধরা হয়েছে।

ঐতিহাসিক ডায়েরির ছবিও যুক্ত হবে

‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ নিবন্ধের পাশাপাশি জিয়াউর রহমানের তৎকালীন একটি ঐতিহাসিক ডায়েরির ছবিও পাঠ্যবইয়ে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক জানিয়েছেন, এনসিসিসির সভায় নিবন্ধটি সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন পেয়েছে।