০২:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইশতিয়াকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তদন্তের অগ্রগতি জানতে ট্রাইব্যুনালে রাশেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০১:৪২:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫২৬ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ইশতিয়াক আহমেদের বিরুদ্ধে করা অভিযোগের তদন্তের অগ্রগতি জানতে ট্রাইব্যুনালে গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক বিশেষ সহকারী রাশেদ খান। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) তিনি ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

তবে এদিন রাশেদ খান নতুন করে কোনো অভিযোগ দাখিল করেননি। তিনি জানান, গত বছরের ৭ মে ইশতিয়াক আহমেদের বিরুদ্ধে করা অভিযোগের তদন্ত বর্তমানে কোন পর্যায়ে রয়েছে, তা জানতে ট্রাইব্যুনালে এসেছেন।

২০১৮ সালের আন্দোলনে নির্যাতনের অভিযোগ

রাশেদ খানের অভিযোগ, ২০১৮ সালের ১ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় রাজধানীর ভাসানটেক এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয় হয়ে তাকে ঢাকা মহানগর পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটে নেওয়া হয়।

তার দাবি, সেখানে ইশতিয়াক আহমেদের নেতৃত্বে তার হাত ও চোখ বেঁধে এবং মুখে গামছা দিয়ে প্রায় ৩০ মিনিট নির্যাতন করা হয়। একইভাবে আরও কয়েকজন আন্দোলনকারীকে নির্যাতন করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

রাশেদ খান বলেন, ওই সময় তাকে কোন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল, তা তিনি জানতেন না। পরে ১৫ দিনের রিমান্ডে নিয়ে তার ওপর নির্যাতন চালানো হয় বলেও দাবি করেন তিনি।

জুলাই আন্দোলনের ফুটেজ মুছে ফেলার অভিযোগ

রাশেদ খানের আরও অভিযোগ, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ইশতিয়াক আহমেদ ড্রোন ও সিসিটিভির মাধ্যমে আন্দোলনের বিভিন্ন ফুটেজ সংগ্রহ করেন। পরে এসব ফুটেজ মুছে ফেলার সঙ্গেও তিনি জড়িত ছিলেন বলে দাবি করেন রাশেদ।

তার ভাষ্য, আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি ও হত্যার প্রমাণ মুছে ফেলতেই এসব করা হয়েছিল। তৎকালীন সরকারের নির্দেশনা ছাড়া এ ধরনের কর্মকাণ্ড সম্ভব ছিল না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তদন্ত চলছে: চিফ প্রসিকিউটর

চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, রাশেদ খানের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। তার করা অভিযোগ যাচাই-বাছাই চলছে।

তিনি বলেন, ঘটনায় আরও কারা জড়িত ছিলেন এবং কী উদ্দেশ্যে রাশেদ খানকে আটক ও নির্যাতন করা হয়েছিল, সেসব বিষয়ও তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ইশতিয়াকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তদন্তের অগ্রগতি জানতে ট্রাইব্যুনালে রাশেদ

আপডেট সময় : ০১:৪২:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ইশতিয়াক আহমেদের বিরুদ্ধে করা অভিযোগের তদন্তের অগ্রগতি জানতে ট্রাইব্যুনালে গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক বিশেষ সহকারী রাশেদ খান। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) তিনি ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

তবে এদিন রাশেদ খান নতুন করে কোনো অভিযোগ দাখিল করেননি। তিনি জানান, গত বছরের ৭ মে ইশতিয়াক আহমেদের বিরুদ্ধে করা অভিযোগের তদন্ত বর্তমানে কোন পর্যায়ে রয়েছে, তা জানতে ট্রাইব্যুনালে এসেছেন।

২০১৮ সালের আন্দোলনে নির্যাতনের অভিযোগ

রাশেদ খানের অভিযোগ, ২০১৮ সালের ১ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় রাজধানীর ভাসানটেক এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয় হয়ে তাকে ঢাকা মহানগর পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটে নেওয়া হয়।

তার দাবি, সেখানে ইশতিয়াক আহমেদের নেতৃত্বে তার হাত ও চোখ বেঁধে এবং মুখে গামছা দিয়ে প্রায় ৩০ মিনিট নির্যাতন করা হয়। একইভাবে আরও কয়েকজন আন্দোলনকারীকে নির্যাতন করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

রাশেদ খান বলেন, ওই সময় তাকে কোন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল, তা তিনি জানতেন না। পরে ১৫ দিনের রিমান্ডে নিয়ে তার ওপর নির্যাতন চালানো হয় বলেও দাবি করেন তিনি।

জুলাই আন্দোলনের ফুটেজ মুছে ফেলার অভিযোগ

রাশেদ খানের আরও অভিযোগ, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ইশতিয়াক আহমেদ ড্রোন ও সিসিটিভির মাধ্যমে আন্দোলনের বিভিন্ন ফুটেজ সংগ্রহ করেন। পরে এসব ফুটেজ মুছে ফেলার সঙ্গেও তিনি জড়িত ছিলেন বলে দাবি করেন রাশেদ।

তার ভাষ্য, আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি ও হত্যার প্রমাণ মুছে ফেলতেই এসব করা হয়েছিল। তৎকালীন সরকারের নির্দেশনা ছাড়া এ ধরনের কর্মকাণ্ড সম্ভব ছিল না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তদন্ত চলছে: চিফ প্রসিকিউটর

চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, রাশেদ খানের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। তার করা অভিযোগ যাচাই-বাছাই চলছে।

তিনি বলেন, ঘটনায় আরও কারা জড়িত ছিলেন এবং কী উদ্দেশ্যে রাশেদ খানকে আটক ও নির্যাতন করা হয়েছিল, সেসব বিষয়ও তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।