৫ ভেন্যুতে হবে এনসিএলের ‘সেকেন্ড ইলেভেন’ চ্যাম্পিয়নশিপ
- আপডেট সময় : ০৩:৪৪:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৩৫ বার পড়া হয়েছে
দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের ২০২৬-২৭ মৌসুম শুরু হচ্ছে জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) চার দিনের ফরম্যাট দিয়ে। আগামী ৩ অক্টোবর থেকে প্রথম একাদশ চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচ শুরু হবে। এরপর ৭ অক্টোবর মাঠে গড়াবে দ্বিতীয় একাদশ চ্যাম্পিয়নশিপ।
দ্বিতীয় একাদশ চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচগুলো ঢাকার পাঁচটি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) জানিয়েছে, বিকেএসপি, পিকেএসপি ও বসুন্ধরা ভেন্যুসহ ঢাকার পাঁচ মাঠে এসব ম্যাচ আয়োজন করা হবে।
শুরু হচ্ছে ২৮তম এনসিএল
এর আগে বুধবার ২৮তম চার দিনের এনসিএলের পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশ করেছে বিসিবি। আগামী ৩ অক্টোবর দেশের চার ভেন্যুতে আট দলের প্রথম একাদশ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হবে।
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে হবে জাতীয় লিগের চারটি ম্যাচ। এ ছাড়া খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়াম, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম এবং চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামেও ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
উদ্বোধনী রাউন্ডে মিরপুরে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রংপুরের মুখোমুখি হবে ঢাকা। খুলনায় খেলবে খুলনা ও বরিশাল। সিলেটে মুখোমুখি হবে সিলেট ও ময়মনসিংহ। আর চট্টগ্রামে লড়বে চট্টগ্রাম ও রাজশাহী।
১৭ নভেম্বর শেষ হবে এনসিএল
দেশের আটটি বিভাগীয় দলকে নিয়ে আয়োজিত প্রথম শ্রেণির এই টুর্নামেন্ট প্রায় দুই মাস চলবে। আগামী ১৭ নভেম্বর শেষ রাউন্ডের ম্যাচের মধ্য দিয়ে ২০২৬-২৭ মৌসুমের জাতীয় ক্রিকেট লিগের পর্দা নামবে।
এর আগে গত এপ্রিলে দ্বিতীয় একাদশ চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল। ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলার সুযোগের অসম বণ্টনের বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেছিলেন, জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা বিপিএল, বিসিএল ও এনসিএলের মতো একাধিক টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ পান। তবে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিভাগে খেলা ক্রিকেটারদের জন্য নির্দিষ্ট লিগের বাইরে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটের সুযোগ তুলনামূলক কম।
বাড়বে ক্রিকেটারদের খেলার সুযোগ
বিসিবির পরিকল্পনা অনুযায়ী, দ্বিতীয় একাদশ চ্যাম্পিয়নশিপের মাধ্যমে ঘরোয়া ক্রিকেটে আরও বেশি খেলোয়াড়কে প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলার সুযোগ দেওয়া হবে। এতে জাতীয় দলের বাইরে থাকা ক্রিকেটারদের পাশাপাশি নিচের স্তরে খেলা খেলোয়াড়রাও নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণের সুযোগ পাবেন।
এই উদ্যোগের ফলে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিভাগের ক্রিকেটারদের জন্য জাতীয় পর্যায়ের ক্রিকেটে উঠে আসার পথ আরও বিস্তৃত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।


























