জুলাই থেকে বাড়তি বেতন, ধাপে ধাপে শতভাগ কার্যকর
- আপডেট সময় : ০৩:৫১:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫২৯ বার পড়া হয়েছে
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নতুন বেতনকাঠামো ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে। তবে পুরো বেতন একসঙ্গে কার্যকর না করে ধাপে ধাপে বাড়তি মূল বেতন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা নতুন বেতনকাঠামো অনুযায়ী বাড়তি মূল বেতনের ৪০ শতাংশ পাবেন। আর ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পাবেন ৫০ শতাংশ। এই অর্থ গত ৩০ জুন আহরিত বা প্রাপ্য বেতনের সঙ্গে যুক্ত হবে।
২০২৭ সালে বাড়বে বেতনের হার
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা নতুন কাঠামোয় বাড়তি মূল বেতনের ৭০ শতাংশ পাবেন। একই সময়ে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পাবেন ৭৫ শতাংশ।
এরপর ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে নতুন বেতনকাঠামোর শতভাগ কার্যকর হবে। যেহেতু নতুন কাঠামো ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে, তাই কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বকেয়া বেতনও পাবেন।
ভাতা কার্যকর হবে ২০২৮ সাল থেকে
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে নতুন বেতনকাঠামোর অন্যান্য ভাতা কার্যকর হবে। একই সঙ্গে পেনশন সুবিধাভোগীরাও নতুন বেতনকাঠামো অনুযায়ী প্রাপ্য সুবিধা পাবেন।
নতুন বেতনকাঠামোতে ১ম থেকে ১০ম গ্রেড পর্যন্ত কর্মকর্তাদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। আর ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে। পাশাপাশি আনুপাতিক হারে বিভিন্ন ভাতাও বাড়বে।
মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর প্রজ্ঞাপন
গত ৩১ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে নতুন বেতনকাঠামো অনুমোদন দেওয়া হয়। এর পর এবার অর্থ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হলো।
এর আগে সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ দিতে গত ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনিকে সভাপতি করে ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিটি এ-সংক্রান্ত সুপারিশ চূড়ান্ত করে।
প্রায় এক যুগ পর নতুন বেতন কমিশন
অষ্টম বেতন কমিশনের প্রায় এক যুগ পর ২০২৫ সালের ২৭ জুলাই অন্তর্বর্তী সরকার ২৩ সদস্যের নবম জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করে। কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খান।
কমিশন চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়। সেই প্রতিবেদনের পর বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে নতুন বেতনকাঠামো অনুমোদন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়।


























