০৫:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্পিকারের সঙ্গে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৩:২৬:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৩৯ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এমপির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) স্পিকারের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও জার্মানির দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়। স্পিকার বলেন, সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জার্মানির পর্যবেক্ষক দলের উপস্থিতি দুই দেশের সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিয়েছে। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও জার্মানি ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা নিয়ে আলোচনা

স্পিকার বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘসময় শোষণ ও বৈষম্যের শিকার হয়েছে। পাকিস্তান আমলে গণতান্ত্রিক বৈষম্য প্রকট ছিল। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন হলেও বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ বিভিন্ন সময়ে বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসনামলে দেশের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল। গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও নির্বাচনী অনিয়মের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

স্পিকার বলেন, বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের জন্য বারবার আত্মত্যাগ করেছে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ লড়াইয়েও তারা অবিচল থেকেছে।

জার্মানির সহযোগিতার আশ্বাস

জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসন থেকে বের হয়ে একনায়কতন্ত্র থেকে গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। বর্তমান নির্বাচিত সরকারের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে কার্যকর করতে জার্মান সরকারের সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেন রাষ্ট্রদূত।

সংসদীয় কূটনীতি ও বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা

সাক্ষাতে জার্মানি-বাংলাদেশ সংসদীয় কমিটি গঠন এবং মৈত্রী গ্রুপের মাধ্যমে সংসদীয় কূটনীতি জোরদারের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশে জার্মান বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়।

বিশেষ করে দেশের উপকূলীয় এলাকায় তেল ও গ্যাসের কূপ অনুসন্ধান এবং সার কারখানা স্থাপনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন তারা।

এ সময় বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা ও উপকূলীয় এলাকায় গ্যাস-তেল সম্পদ অনুসন্ধানে জার্মান বিশেষজ্ঞ দলকে আমন্ত্রণ জানান স্পিকার। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতি জ্বালানি খাতের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল বলেও তিনি রাষ্ট্রদূতকে জানান।

সাক্ষাতে জার্মান দূতাবাসের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

স্পিকারের সঙ্গে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আপডেট সময় : ০৩:২৬:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এমপির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) স্পিকারের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও জার্মানির দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়। স্পিকার বলেন, সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জার্মানির পর্যবেক্ষক দলের উপস্থিতি দুই দেশের সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিয়েছে। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও জার্মানি ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা নিয়ে আলোচনা

স্পিকার বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘসময় শোষণ ও বৈষম্যের শিকার হয়েছে। পাকিস্তান আমলে গণতান্ত্রিক বৈষম্য প্রকট ছিল। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন হলেও বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ বিভিন্ন সময়ে বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসনামলে দেশের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল। গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও নির্বাচনী অনিয়মের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

স্পিকার বলেন, বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের জন্য বারবার আত্মত্যাগ করেছে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ লড়াইয়েও তারা অবিচল থেকেছে।

জার্মানির সহযোগিতার আশ্বাস

জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসন থেকে বের হয়ে একনায়কতন্ত্র থেকে গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। বর্তমান নির্বাচিত সরকারের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে কার্যকর করতে জার্মান সরকারের সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেন রাষ্ট্রদূত।

সংসদীয় কূটনীতি ও বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা

সাক্ষাতে জার্মানি-বাংলাদেশ সংসদীয় কমিটি গঠন এবং মৈত্রী গ্রুপের মাধ্যমে সংসদীয় কূটনীতি জোরদারের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশে জার্মান বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়।

বিশেষ করে দেশের উপকূলীয় এলাকায় তেল ও গ্যাসের কূপ অনুসন্ধান এবং সার কারখানা স্থাপনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন তারা।

এ সময় বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা ও উপকূলীয় এলাকায় গ্যাস-তেল সম্পদ অনুসন্ধানে জার্মান বিশেষজ্ঞ দলকে আমন্ত্রণ জানান স্পিকার। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতি জ্বালানি খাতের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল বলেও তিনি রাষ্ট্রদূতকে জানান।

সাক্ষাতে জার্মান দূতাবাসের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।