০৪:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মুরাদনগরে জোড়া খুনের মামলায় মূলহোতাসহ গ্রেফতার ৩

কুমিল্লা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:০৪:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৪১ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুমিল্লার মুরাদনগরে জায়গা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বোন ও ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মূল আসামি মোস্তাক আহমেদ আবু মিয়াসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার অন্য দুজন হলেন আবু মিয়ার স্ত্রী হনুফা বেগম ও পালিত কন্যা ইতি।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান।

জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা

পুলিশ জানায়, মুরাদনগরে জায়গা নিয়ে বিরোধের জেরে ওই জোড়া হত্যাকাণ্ড ঘটে। এতে বোন ও ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর নিহতদের স্বজন নাসিম হায়দার সুজন বাদী হয়ে মুরাদনগর থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলায় মোস্তাক আহমেদ আবু মিয়াসহ তিনজনকে আসামি করা হয়। মামলা হওয়ার পর থেকেই আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু করে পুলিশ।

বাজার থেকে গ্রেফতার দুই নারী

পুলিশের তদন্ত ও অভিযান চালানোর একপর্যায়ে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা নগরীর বাদশা মিয়া বাজার এলাকা থেকে হনুফা বেগম ও ইতি গ্রেফতার হন।

পুলিশের দাবি, গ্রেফতারের পর তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মামলার মূল আসামি আবু মিয়ার অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা করা হয়।

পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায়।

ট্রেন থেকে মূল আসামি গ্রেফতার

অভিযানের একপর্যায়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া রেলস্টেশন এলাকায় একটি ট্রেন থেকে মোস্তাক আহমেদ আবু মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, জোড়া হত্যাকাণ্ডের পর তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। তাকে গ্রেফতারের মাধ্যমে মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার তিন আসামি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে হত্যার পেছনে জায়গা-সংক্রান্ত বিরোধের বিস্তারিত কারণ এবং ঘটনার সঙ্গে কার কী ভূমিকা ছিল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

আদালতে পাঠানো হয়েছে আসামিদের

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেফতার তিন আসামিকে কুমিল্লার আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে চাঞ্চল্যকর এ জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য কোনো ব্যক্তি রয়েছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মামলার তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ, আসামিদের ভূমিকা এবং ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য তথ্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

মুরাদনগরে জোড়া খুনের মামলায় মূলহোতাসহ গ্রেফতার ৩

আপডেট সময় : ০৪:০৪:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কুমিল্লার মুরাদনগরে জায়গা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বোন ও ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মূল আসামি মোস্তাক আহমেদ আবু মিয়াসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার অন্য দুজন হলেন আবু মিয়ার স্ত্রী হনুফা বেগম ও পালিত কন্যা ইতি।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান।

জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা

পুলিশ জানায়, মুরাদনগরে জায়গা নিয়ে বিরোধের জেরে ওই জোড়া হত্যাকাণ্ড ঘটে। এতে বোন ও ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর নিহতদের স্বজন নাসিম হায়দার সুজন বাদী হয়ে মুরাদনগর থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলায় মোস্তাক আহমেদ আবু মিয়াসহ তিনজনকে আসামি করা হয়। মামলা হওয়ার পর থেকেই আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু করে পুলিশ।

বাজার থেকে গ্রেফতার দুই নারী

পুলিশের তদন্ত ও অভিযান চালানোর একপর্যায়ে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা নগরীর বাদশা মিয়া বাজার এলাকা থেকে হনুফা বেগম ও ইতি গ্রেফতার হন।

পুলিশের দাবি, গ্রেফতারের পর তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মামলার মূল আসামি আবু মিয়ার অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা করা হয়।

পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায়।

ট্রেন থেকে মূল আসামি গ্রেফতার

অভিযানের একপর্যায়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া রেলস্টেশন এলাকায় একটি ট্রেন থেকে মোস্তাক আহমেদ আবু মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, জোড়া হত্যাকাণ্ডের পর তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। তাকে গ্রেফতারের মাধ্যমে মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার তিন আসামি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে হত্যার পেছনে জায়গা-সংক্রান্ত বিরোধের বিস্তারিত কারণ এবং ঘটনার সঙ্গে কার কী ভূমিকা ছিল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

আদালতে পাঠানো হয়েছে আসামিদের

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেফতার তিন আসামিকে কুমিল্লার আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে চাঞ্চল্যকর এ জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য কোনো ব্যক্তি রয়েছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মামলার তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ, আসামিদের ভূমিকা এবং ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য তথ্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।