লংমার্চ ও লালদিঘী সমাবেশ সফল করার আহ্বান ১১ দলীয় ঐক্যের
- আপডেট সময় : ০৩:৩৫:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৪২ বার পড়া হয়েছে
জনগণের ন্যায্য দাবি আদায়, রাষ্ট্রীয় সংস্কার, গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের ঘোষণা দিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য।
আগামী শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত এই লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে। কর্মসূচির সমাপনী অংশ হিসেবে বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদিঘী ময়দানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের কার্যালয়ের বিআইএ মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও চট্টগ্রাম অঞ্চল পরিচালক মুহাম্মদ শাহজাহান।
তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বিদ্যুৎ, তেল ও গ্যাসের সংকট এবং সারের সংকটে জনগণ দুর্ভোগে রয়েছে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দলীয়করণের কারণেও মানুষের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।
মুহাম্মদ শাহজাহান আরও বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনগণ পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছে, তার পূর্ণ বাস্তবায়ন এখনো হয়নি। এসব সংকট নিরসন এবং জনগণের ন্যায্য দাবি আদায়ের লক্ষ্যেই ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের কর্মসূচি নিয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, গণভোটের গণরায় উপেক্ষা করে দেশ পরিচালনা বিএনপির রাজনৈতিক প্রতারণার শামিল। জনগণের মতামত ও গণরায় কোনোভাবেই উপেক্ষা করা যাবে না।
গণভোটের রায়ে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, জনগণের রায়কে পাশ কাটিয়ে কোনো রাজনৈতিক দল বা সরকার দেশ পরিচালনা করলে তা জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল।
শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির দাবি
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ৫ সেপ্টেম্বরের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচি হিসেবে অনুষ্ঠিত হবে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ এতে অংশ নেবেন।
লংমার্চের সমাপনী সমাবেশে চট্টগ্রাম মহানগরী ও জেলার সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেবেন বলে আশা প্রকাশ করেন মুহাম্মদ শাহজাহান।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক আহছানুল্লাহ ভুঁইয়া, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী এমপি, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য মুহাম্মদ জাফর সাদেক এবং অধ্যাপক নুরুল আমিন চৌধুরী।
























