০৬:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ব্যালন ডি’অর জয়ী বেনজেমাসহ ক্লাবহীন যেসব তারকা

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:২৪:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫২৪ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দলবদলের বাজারের দরজা আপাতত বন্ধ। শেষ হয়েছে শেষ মুহূর্তের দৌড়ঝাঁপ, কোটি কোটি পাউন্ডের লেনদেন এবং তারকাদের ঠিকানা বদলের নাটক। তবে দলবদলের বাজার পুরোপুরি ফাঁকা হয়নি। এখনও বেশ কয়েকজন পরিচিত তারকা ক্লাবহীন রয়েছেন। চাইলে তাদের বিনা ট্রান্সফার ফিতেই দলে নিতে পারবে যেকোনো ক্লাব।

এবারের গ্রীষ্মের দলবদলে প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো রেকর্ড ৩.৪৯ বিলিয়ন পাউন্ড খরচ করেছে। ইতিহাসের সবচেয়ে দামি ১০টি ট্রান্সফারের তিনটিই হয়েছে এবারের উইন্ডোতে। ১০০ মিলিয়ন পাউন্ড বা তার বেশি মূল্যের পাঁচটি চুক্তিও হয়েছে।

এর মধ্যে এনজো ফার্নান্দেজের চেলসি থেকে ম্যানচেস্টার সিটিতে ১২৫ মিলিয়ন পাউন্ডের দলবদলটি ছিল অন্যতম বড় চমক। এই চুক্তির কারণে ডেডলাইন ডের মোট খরচ ৫০০ মিলিয়ন পাউন্ড ছাড়িয়ে যায়।

এভারটন থেকে ম্যানচেস্টার সিটিতে ইলিমান দিয়েংকে প্রাথমিক ৬০ মিলিয়ন পাউন্ডে নেওয়ার পর প্রিমিয়ার লিগের গ্রীষ্মকালীন মোট ব্যয় ৩ বিলিয়ন পাউন্ড ছাড়ায়। একই সঙ্গে ভেঙে যায় আগের মৌসুমের ৩.১৪ বিলিয়ন পাউন্ডের রেকর্ড।

তবে এত বড় অঙ্কের লেনদেনের মধ্যেও কয়েকজন অভিজ্ঞ ও তারকা ফুটবলার এখনও কোনো ক্লাবে যোগ দেননি। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য—

রিয়াদ মাহরেজ

অভিজ্ঞতার বিচারে রিয়াদ মাহরেজ এখনও বড় ক্লাবগুলোর জন্য আকর্ষণীয় নাম। লেস্টার সিটির হয়ে ২০১৬ সালে প্রিমিয়ার লিগ জয়ের পর ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেন তিনি। সেখানেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন এই আলজেরিয়ান উইঙ্গার। জাতীয় দলের হয়েও তার রয়েছে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা। ক্লাবহীন অবস্থায় মাহরেজ তাই ভালো একটি বিকল্প হতে পারেন।

রাহিম স্টার্লিং

লিভারপুলে ক্যারিয়ার শুরু করে ম্যানচেস্টার সিটিতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন রাহিম স্টার্লিং। ২০২২ সালে সিটি ছাড়ার পর একাধিক ক্লাব বদলেছেন তিনি। সর্বশেষ অধ্যায়ও খুব একটা প্রত্যাশামতো কাটেনি। তারপরও গতি, অভিজ্ঞতা এবং প্রিমিয়ার লিগে দীর্ঘদিনের পারফরম্যান্সের কারণে স্টার্লিং এখনও সম্ভাবনাময় ফ্রি এজেন্ট।

জ্যাডন সানচো

মাত্র ২৬ বছর বয়সেই চারটি বড় ক্লাবের হয়ে খেলা জ্যাডন সানচোর ক্যারিয়ার ছিল বেশ আলোচিত। প্রতিভা ও দক্ষতার দারুণ সমন্বয় থাকলেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেননি এই ইংলিশ উইঙ্গার। তবে বয়স এবং সামর্থ্যের কারণে নতুন ক্লাবের জন্য সানচো হতে পারেন বড় বিনিয়োগের বিকল্প।

ফিলিপে কুতিনহো

লিভারপুলে নিজের সেরা সময় কাটানোর পর ২০১৮ সালে বার্সেলোনায় পাড়ি জমান ফিলিপে কুতিনহো। ন্যু ক্যাম্পে অবশ্য প্রত্যাশা অনুযায়ী নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি ব্রাজিলিয়ান এই মিডফিল্ডার। এরপর তার ক্যারিয়ারে এসেছে একাধিক বাঁক। তবে লিভারপুলের সময়ের পারফরম্যান্স প্রমাণ করে, সঠিক পরিবেশ পেলে কুতিনহো এখনও ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিতে পারেন।

করিম বেনজেমা

ক্লাবহীন তারকাদের তালিকায় সবচেয়ে বড় নামগুলোর একটি করিম বেনজেমা। ৩৮ বছর বয়সেও তার অর্জনের তালিকা ঈর্ষণীয়। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে অসংখ্য শিরোপা জেতার পাশাপাশি ২০২২ সালে ব্যালন ডি’অরও জিতেছেন তিনি।

রিয়ালের জার্সিতে প্রায় ৫৫০ ম্যাচে ২৭৫ গোল করার পর ২০২৩ সালে সৌদি প্রো লিগে পাড়ি জমান ফরাসি এই স্ট্রাইকার। এখন আবারও ক্লাবহীন বেনজেমা। বয়সের কারণে আগের মতো দীর্ঘ সময় মাঠে থাকা কঠিন হলেও গোল করার দক্ষতা ও বিশাল অভিজ্ঞতার কারণে তাকে নিয়ে আগ্রহ দেখাতে পারে অনেক ক্লাব।

দলবদলের আনুষ্ঠানিক সময়সীমা শেষ হলেও ফ্রি এজেন্টদের ক্ষেত্রে সুযোগ এখনও রয়েছে। তাই ক্লাবহীন এই তারকাদের মধ্যে কারও নতুন ঠিকানা কোথায় হয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ব্যালন ডি’অর জয়ী বেনজেমাসহ ক্লাবহীন যেসব তারকা

আপডেট সময় : ০৫:২৪:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দলবদলের বাজারের দরজা আপাতত বন্ধ। শেষ হয়েছে শেষ মুহূর্তের দৌড়ঝাঁপ, কোটি কোটি পাউন্ডের লেনদেন এবং তারকাদের ঠিকানা বদলের নাটক। তবে দলবদলের বাজার পুরোপুরি ফাঁকা হয়নি। এখনও বেশ কয়েকজন পরিচিত তারকা ক্লাবহীন রয়েছেন। চাইলে তাদের বিনা ট্রান্সফার ফিতেই দলে নিতে পারবে যেকোনো ক্লাব।

এবারের গ্রীষ্মের দলবদলে প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো রেকর্ড ৩.৪৯ বিলিয়ন পাউন্ড খরচ করেছে। ইতিহাসের সবচেয়ে দামি ১০টি ট্রান্সফারের তিনটিই হয়েছে এবারের উইন্ডোতে। ১০০ মিলিয়ন পাউন্ড বা তার বেশি মূল্যের পাঁচটি চুক্তিও হয়েছে।

এর মধ্যে এনজো ফার্নান্দেজের চেলসি থেকে ম্যানচেস্টার সিটিতে ১২৫ মিলিয়ন পাউন্ডের দলবদলটি ছিল অন্যতম বড় চমক। এই চুক্তির কারণে ডেডলাইন ডের মোট খরচ ৫০০ মিলিয়ন পাউন্ড ছাড়িয়ে যায়।

এভারটন থেকে ম্যানচেস্টার সিটিতে ইলিমান দিয়েংকে প্রাথমিক ৬০ মিলিয়ন পাউন্ডে নেওয়ার পর প্রিমিয়ার লিগের গ্রীষ্মকালীন মোট ব্যয় ৩ বিলিয়ন পাউন্ড ছাড়ায়। একই সঙ্গে ভেঙে যায় আগের মৌসুমের ৩.১৪ বিলিয়ন পাউন্ডের রেকর্ড।

তবে এত বড় অঙ্কের লেনদেনের মধ্যেও কয়েকজন অভিজ্ঞ ও তারকা ফুটবলার এখনও কোনো ক্লাবে যোগ দেননি। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য—

রিয়াদ মাহরেজ

অভিজ্ঞতার বিচারে রিয়াদ মাহরেজ এখনও বড় ক্লাবগুলোর জন্য আকর্ষণীয় নাম। লেস্টার সিটির হয়ে ২০১৬ সালে প্রিমিয়ার লিগ জয়ের পর ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেন তিনি। সেখানেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন এই আলজেরিয়ান উইঙ্গার। জাতীয় দলের হয়েও তার রয়েছে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা। ক্লাবহীন অবস্থায় মাহরেজ তাই ভালো একটি বিকল্প হতে পারেন।

রাহিম স্টার্লিং

লিভারপুলে ক্যারিয়ার শুরু করে ম্যানচেস্টার সিটিতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন রাহিম স্টার্লিং। ২০২২ সালে সিটি ছাড়ার পর একাধিক ক্লাব বদলেছেন তিনি। সর্বশেষ অধ্যায়ও খুব একটা প্রত্যাশামতো কাটেনি। তারপরও গতি, অভিজ্ঞতা এবং প্রিমিয়ার লিগে দীর্ঘদিনের পারফরম্যান্সের কারণে স্টার্লিং এখনও সম্ভাবনাময় ফ্রি এজেন্ট।

জ্যাডন সানচো

মাত্র ২৬ বছর বয়সেই চারটি বড় ক্লাবের হয়ে খেলা জ্যাডন সানচোর ক্যারিয়ার ছিল বেশ আলোচিত। প্রতিভা ও দক্ষতার দারুণ সমন্বয় থাকলেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেননি এই ইংলিশ উইঙ্গার। তবে বয়স এবং সামর্থ্যের কারণে নতুন ক্লাবের জন্য সানচো হতে পারেন বড় বিনিয়োগের বিকল্প।

ফিলিপে কুতিনহো

লিভারপুলে নিজের সেরা সময় কাটানোর পর ২০১৮ সালে বার্সেলোনায় পাড়ি জমান ফিলিপে কুতিনহো। ন্যু ক্যাম্পে অবশ্য প্রত্যাশা অনুযায়ী নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি ব্রাজিলিয়ান এই মিডফিল্ডার। এরপর তার ক্যারিয়ারে এসেছে একাধিক বাঁক। তবে লিভারপুলের সময়ের পারফরম্যান্স প্রমাণ করে, সঠিক পরিবেশ পেলে কুতিনহো এখনও ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিতে পারেন।

করিম বেনজেমা

ক্লাবহীন তারকাদের তালিকায় সবচেয়ে বড় নামগুলোর একটি করিম বেনজেমা। ৩৮ বছর বয়সেও তার অর্জনের তালিকা ঈর্ষণীয়। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে অসংখ্য শিরোপা জেতার পাশাপাশি ২০২২ সালে ব্যালন ডি’অরও জিতেছেন তিনি।

রিয়ালের জার্সিতে প্রায় ৫৫০ ম্যাচে ২৭৫ গোল করার পর ২০২৩ সালে সৌদি প্রো লিগে পাড়ি জমান ফরাসি এই স্ট্রাইকার। এখন আবারও ক্লাবহীন বেনজেমা। বয়সের কারণে আগের মতো দীর্ঘ সময় মাঠে থাকা কঠিন হলেও গোল করার দক্ষতা ও বিশাল অভিজ্ঞতার কারণে তাকে নিয়ে আগ্রহ দেখাতে পারে অনেক ক্লাব।

দলবদলের আনুষ্ঠানিক সময়সীমা শেষ হলেও ফ্রি এজেন্টদের ক্ষেত্রে সুযোগ এখনও রয়েছে। তাই ক্লাবহীন এই তারকাদের মধ্যে কারও নতুন ঠিকানা কোথায় হয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।