০৫:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রিজেন্টের সাহেদসহ ৬ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৩:২০:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৬৮ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স নিয়ে করোনাভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ ও চিকিৎসার চুক্তি করে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদসহ ছয় আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পেছানো হয়েছে। আগামী ৪ অক্টোবর মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

আদালতে হাজির হননি কোনো সাক্ষী

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেনের আদালতে মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। তবে এদিন কোনো সাক্ষী আদালতে হাজির হননি।

পরে দুদকের প্রসিকিউটর মো. নূরে আলম সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য সময় চেয়ে আবেদন করেন। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ৪ অক্টোবর পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের উচ্চমান বেঞ্চ সহকারী মিয়া জাহিদুল ইসলাম।

মামলায় সাহেদসহ ছয় আসামি

মামলার অভিযোগপত্রে সাহেদ ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন—স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, সাবেক পরিচালক আমিনুল হাসান, উপপরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. ইউনুস আলী, সহকারী পরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. শফিউর রহমান এবং গবেষণা কর্মকর্তা ডা. দিদারুল ইসলাম।

সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

২০২০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী মামলাটি দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, রিজেন্ট হাসপাতালের লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও করোনাভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ ও চিকিৎসার জন্য হাসপাতালটির সঙ্গে চুক্তি করা হয়। এর মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার প্রাথমিক এজাহারে আবুল কালাম আজাদকে আসামি করা হয়নি। তবে তদন্তে তার নাম আসায় পরবর্তী সময়ে অভিযোগপত্রে তাকে আসামি করা হয়।

২০২২ সালে শুরু হয় বিচার

২০২২ সালের ১২ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে মামলাটির বিচারকাজ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত মামলায় ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।

৩৯৩৯ রোগীর নমুনা পরীক্ষার অভিযোগ

মামলার নথি অনুযায়ী, আসামিদের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে লাইসেন্স নবায়ন না করা রিজেন্ট হাসপাতালকে ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালে রূপান্তরের অভিযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) চুক্তির মাধ্যমে সরকারি প্রতিষ্ঠান নিপসমের ল্যাবে রিজেন্ট হাসপাতালের ৩ হাজার ৯৩৯ জন কোভিড রোগীর নমুনা বিনামূল্যে পরীক্ষা করার ব্যবস্থা করার অভিযোগও রয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, এসব নমুনা পরীক্ষার জন্য রোগীপ্রতি ৩ হাজার ৫০০ টাকা করে মোট ১ কোটি ৩৭ লাখ ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া হয়।

এ ছাড়া রিজেন্ট হাসপাতালের মিরপুর ও উত্তরা শাখার চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ডবয় ও অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাসিক খাবার খরচ বাবদ ১ কোটি ৯৬ লাখ ২০ হাজার টাকার চাহিদা তুলে ধরে এর খসড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

রিজেন্টের সাহেদসহ ৬ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল

আপডেট সময় : ০৩:২০:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স নিয়ে করোনাভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ ও চিকিৎসার চুক্তি করে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদসহ ছয় আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পেছানো হয়েছে। আগামী ৪ অক্টোবর মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

আদালতে হাজির হননি কোনো সাক্ষী

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেনের আদালতে মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। তবে এদিন কোনো সাক্ষী আদালতে হাজির হননি।

পরে দুদকের প্রসিকিউটর মো. নূরে আলম সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য সময় চেয়ে আবেদন করেন। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ৪ অক্টোবর পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের উচ্চমান বেঞ্চ সহকারী মিয়া জাহিদুল ইসলাম।

মামলায় সাহেদসহ ছয় আসামি

মামলার অভিযোগপত্রে সাহেদ ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন—স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, সাবেক পরিচালক আমিনুল হাসান, উপপরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. ইউনুস আলী, সহকারী পরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. শফিউর রহমান এবং গবেষণা কর্মকর্তা ডা. দিদারুল ইসলাম।

সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

২০২০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী মামলাটি দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, রিজেন্ট হাসপাতালের লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও করোনাভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ ও চিকিৎসার জন্য হাসপাতালটির সঙ্গে চুক্তি করা হয়। এর মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার প্রাথমিক এজাহারে আবুল কালাম আজাদকে আসামি করা হয়নি। তবে তদন্তে তার নাম আসায় পরবর্তী সময়ে অভিযোগপত্রে তাকে আসামি করা হয়।

২০২২ সালে শুরু হয় বিচার

২০২২ সালের ১২ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে মামলাটির বিচারকাজ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত মামলায় ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।

৩৯৩৯ রোগীর নমুনা পরীক্ষার অভিযোগ

মামলার নথি অনুযায়ী, আসামিদের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে লাইসেন্স নবায়ন না করা রিজেন্ট হাসপাতালকে ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালে রূপান্তরের অভিযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) চুক্তির মাধ্যমে সরকারি প্রতিষ্ঠান নিপসমের ল্যাবে রিজেন্ট হাসপাতালের ৩ হাজার ৯৩৯ জন কোভিড রোগীর নমুনা বিনামূল্যে পরীক্ষা করার ব্যবস্থা করার অভিযোগও রয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, এসব নমুনা পরীক্ষার জন্য রোগীপ্রতি ৩ হাজার ৫০০ টাকা করে মোট ১ কোটি ৩৭ লাখ ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া হয়।

এ ছাড়া রিজেন্ট হাসপাতালের মিরপুর ও উত্তরা শাখার চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ডবয় ও অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাসিক খাবার খরচ বাবদ ১ কোটি ৯৬ লাখ ২০ হাজার টাকার চাহিদা তুলে ধরে এর খসড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।