বগুড়ায় রোগীর মৃত্যু ঘিরে স্বজন-ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সংঘর্ষ
- আপডেট সময় : ০৪:৪৪:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫২৫ বার পড়া হয়েছে
বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে আব্দুল মালেক (৫০) নামে এক রোগীর মৃত্যু ঘিরে স্বজনদের সঙ্গে কর্তব্যরত ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন।
রোগীর মৃত্যুর পর স্বজনদের অভিযোগ
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডের সপ্তম তলায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুল মালেক বগুড়া সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের মো. রাজিবুল ইসলামের ছেলে। অ্যাজমায় আক্রান্ত হয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালের বেডেই তাঁর মৃত্যু হয়।
মালেকের মৃত্যুর পর স্বজনেরা চিকিৎসকদের ভুল চিকিৎসার কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। এ নিয়ে কর্তব্যরত ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে তাঁদের কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
পরে ফের সংঘর্ষ
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ওপর হামলার খবর ছড়িয়ে পড়লে ইন্টার্ন হোস্টেলে থাকা অন্য চিকিৎসকেরাও মেডিসিন ওয়ার্ডের সপ্তম তলায় ছুটে আসেন। সেখানে উভয় পক্ষের মধ্যে আবারও সংঘর্ষ হয়।
ঘটনার পর হাসপাতালের পরিচালকের কক্ষে উভয় পক্ষকে নিয়ে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়। রাত ১টার দিকে আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, আহত রোগীর স্বজনদের চিকিৎসা দেওয়া হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আহত ছয়জনের মধ্যে দুজনের শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাঁরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অপর চারজনকে বগুড়া সদর থানা পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।
আহতরা হলেন—মো. তানরিন (২৬), নিশিন্দারা; মো. রাকিবুল হাসান (১৯), ফুলবাড়ী; মো. প্রান্ত (২২), ফুলবাড়ী; এম এম মিনহাজ (১৮), ফুলবাড়ী; মো. নাফিউল (২৬), ফুলবাড়ী দক্ষিণপাড়া এবং মো. বিপ্লব হোসেন (২৬), নামাজগড় ভান্ডারী মসজিদ এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কিংবা রোগীর স্বজনদের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ বা মামলা দায়ের করা হয়নি।




















