বগুড়ায় যুবককে রাতভর নির্যাতনের পর হত্যা, প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ
- আপডেট সময় : ০৪:৫৯:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৪১ বার পড়া হয়েছে
বগুড়ার সদর উপজেলায় শামীম হোসেন নামে এক যুবককে রাতভর মারধর ও নির্যাতনের পর পায়ের রগ কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে বগুড়া সদর উপজেলার বারপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শামীম হোসেন নামুজা ইউনিয়নের চৌমহনী এলাকার আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে। তার মরদেহ বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
চোর সন্দেহে আটক, রাতভর নির্যাতনের অভিযোগ
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, শামীম এক নিকটাত্মীয়ের দাফনে অংশ নিতে বারপুর এলাকায় গিয়েছিলেন। রাতে সেখানে হাঁটাহাঁটির সময় কয়েকজন তাকে চোর সন্দেহে আটক করেন। এরপর তাকে রাতভর মারধর ও নির্যাতন করা হয়।
একপর্যায়ে তার পায়ের রগ কেটে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে একটি পরিত্যক্ত স্থানে ফেলে রাখা হয় বলে অভিযোগ স্বজনদের।
পরে খবর পেয়ে গ্রাম পুলিশ তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহতের শাশুড়ি ছোবেদা বেগমের দাবি, এ ঘটনার সঙ্গে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি জড়িত। তিনি অভিযুক্তদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
হত্যার প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ
শামীমের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মঙ্গলবার সকালে নিশিন্দারা ইউনিয়ন পরিষদের সামনে সড়ক অবরোধ করেন এলাকাবাসী।
এ সময় সড়কে কাঠের গুঁড়ি ফেলে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে ওই সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়।
অবরোধের খবর পেয়ে বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহিম আলী ঘটনাস্থলে যান। তিনি স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
পরে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে অবরোধকারীরা সড়ক থেকে সরে গেলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
ঘটনার বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।























