গত ১৭ বছরে বিএনপির হাজারো নেতাকর্মী নির্যাতনের শিকার: হুইপ অপু
- আপডেট সময় : ০৬:০২:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৩১ বার পড়া হয়েছে
গত ১৭ বছরে বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মী অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও ফরিদপুরের সংসদ সদস্য মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু।
তিনি বলেন, ‘নির্যাতনের সেই সময় পেছনে ফেলে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামীর বাংলাদেশ হবে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির বাংলাদেশ।’
সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ফরিদপুর, রাজবাড়ী ও গোপালগঞ্জ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং উন্নয়নমূলক কার্যক্রম সমন্বয়ের লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়।
হুইপ অপু বলেন, দলের ভেতরের সব ভেদাভেদ ভুলে দেশের উন্নয়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে দলীয় শৃঙ্খলা মেনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে এগিয়ে যেতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাজহারুল ইসলাম।
সভায় রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য ও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ খৈয়ম, ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ, ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম বাবুল, ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ড. মো. ইলিয়াস মোল্লা, গোপালগঞ্জের সংসদ সদস্য এসএম জেলানী, সেলিমুজ্জামান সেলিম এবং রাজবাড়ীর সংসদ সদস্য হারুনার রশিদ উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া ফরিদপুরের পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী, জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. আফজাল হোসেন খান পলাশ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মুদাররেস আলী ঈসা, সদস্য সচিব একেএম কেন্দ্রিয়া স্বপনসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় তিন জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি জনগণের সেবা নিশ্চিত করা এবং উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সভায় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা নিজ নিজ জেলার সমস্যা, সম্ভাবনা ও চলমান কার্যক্রম তুলে ধরেন। পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে জনসেবামূলক কার্যক্রম আরও কার্যকর করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।
























