জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা, তদন্তে সিআইডি
- আপডেট সময় : ০৩:৩৯:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫১৯ বার পড়া হয়েছে
জুলাই আন্দোলনে আহত এক ব্যক্তিকে সরকারি সুবিধার চেক দেওয়ার কথা বলে অর্থ দাবি, মারধর, নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ‘জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন’-এর ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলমের আদালতে জুলাইযোদ্ধা গিয়াস উদ্দিন এ মামলার আবেদন করেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী ইয়ামিন মিয়া জানান, আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে অভিযোগটি তদন্তের জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দিয়েছেন।
যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ
মামলার আসামিরা হলেন—ফাউন্ডেশনের সিনিয়র ভেরিফিকেশন অফিসার ইফতেখার হোসেন, এক্সিকিউটিভ মেম্বার সাবরিনা আফরোজ সেবন্তী, সাইদুর রহমান শাহিদ, মেহেদী হাসান প্রিন্স, সাগর, আফজালু রহমান সায়েম, হারুন অর রশীদ, কামরুল হোসেন, আলিফ, জাহিদ, মোমেনুজ্জামান দিপু, সাজ্জাদ মোস্তফা, ফাতেমা আফরিন পায়েল ও ইয়াছিন মোল্লা।
চেকের টাকা থেকে ৫০ শতাংশ দাবি
মামলার অভিযোগে গিয়াস উদ্দিন বলেন, জুলাইযোদ্ধা হিসেবে জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন থেকে চেক নিতে গেলে তাকে বিভিন্নভাবে কালক্ষেপণ করা হয়। পরে তিনি বাংলামোটরের এনসিপি কার্যালয়ে গিয়ে ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম, হাসনাত আব্দুল্লাহ, তাসনিম জারা ও স্নিগ্ধকে বিষয়টি জানান। তারা ফাউন্ডেশনে গেলে চেক দেওয়া হবে বলে তাকে আশ্বস্ত করেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত বছরের ৩ মে চেক নিতে ফাউন্ডেশনে গেলে আসামিরা ৩ লাখ টাকার চেকের ৫০ শতাংশ অর্থাৎ দেড় লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা দিলে ব্যাংক থেকে চেকের অর্থ ক্যাশ করে দেওয়া হবে বলে তাকে জানানো হয়। তবে গিয়াস উদ্দিন এতে রাজি না হওয়ায় তাকে একটি কক্ষে নিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
মারধরের পর হাসপাতালে চিকিৎসা
অভিযোগে বলা হয়, প্রিন্স ও সাগর তার দুই হাত ধরে রাখেন। শাহিদ ও সায়েম তাকে কিল-ঘুষি ও লাথি মারেন। একপর্যায়ে দেয়ালে ফেলে দিলে রডের সঙ্গে মাথায় আঘাত লেগে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন।
জ্ঞান ফেরার পর শরীর থেকে রক্ত ঝরতে দেখেন গিয়াস উদ্দিন। পরে তাকে ফাউন্ডেশনের লিফটের সামনে রেখে যাওয়া হয়। তার ছেলে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা করান।
পরে থানায় মামলা করতে গেলেও মামলা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন গিয়াস উদ্দিন। এরপর আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হলে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।























