০৬:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফেনীতে নারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে ফেসবুকে অশালীন পোস্ট

জাবেদ হোসাইন মামুন, ফেনী
  • আপডেট সময় : ০৪:৫১:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৪৫ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফেনী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের নারী শিক্ষার্থী ও অধ্যক্ষকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অশালীন মন্তব্য করে পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে মোরশেদ আলম আদিব নামে এক শিক্ষার্থীকে পুলিশের হেফাজতে দেওয়া হয়েছে। তিনি প্রতিষ্ঠানটির ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের তৃতীয় পর্বের শিক্ষার্থী এবং পলিটেকনিক শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সক্রিয় কর্মী বলে জানিয়েছেন তাঁর সহপাঠীরা।

সোমবার (৩১ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, আদিব তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে নারী ছাত্রাবাসের শিক্ষার্থীদের নিয়ে অশালীন মন্তব্য করে একটি পোস্ট দেন। বিষয়টি সাধারণ শিক্ষার্থীদের নজরে এলে তাঁরা তাঁকে হোস্টেল থেকে আটক করে কলেজ প্রশাসনকে জানান।

পরে কলেজের শিক্ষকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি যাচাই করেন। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদে আদিব অভিযোগের দায় স্বীকার করে সবার কাছে ক্ষমা চান। এরপর তাঁকে পুলিশের হেফাজতে দেওয়া হয়।

ফেনী পলিটেকনিক ছাত্রদলের আহ্বায়ক রুবেল মোঘল বলেন, ঘটনার সময় তিনি ক্যাম্পাসের বাইরে ছিলেন। খবর পেয়ে ক্যাম্পাসে গিয়ে শিক্ষার্থীদের শান্ত করার চেষ্টা করেন এবং বিষয়টি কলেজের শিক্ষকদের অবহিত করেন।

অভিযুক্তের সহপাঠী মুশফিকুর রহমান বলেন, নারী সহপাঠীদের নিয়ে এমন অশালীন মন্তব্য কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তাঁর দাবি, আদিব ক্যাম্পাসে শিবিরের সক্রিয় কর্মী। তিনি অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বহিষ্কারের দাবি জানান।

ফেনী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের উপাধ্যক্ষ রূপক কান্তি বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষার্থী নারী শিক্ষার্থী ও অধ্যক্ষকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য করে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি অভিযোগের দায় স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন।

উপাধ্যক্ষ জানান, শিক্ষার্থীর ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে আপাতত তাঁর বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা অভিযোগ করা হচ্ছে না। তাঁর পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। পরিবার আসার পর তাঁকে তাদের জিম্মায় দেওয়া হবে।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে কলেজ প্রশাসনের সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সভায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে কঠোর প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ফেনীতে নারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে ফেসবুকে অশালীন পোস্ট

আপডেট সময় : ০৪:৫১:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফেনী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের নারী শিক্ষার্থী ও অধ্যক্ষকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অশালীন মন্তব্য করে পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে মোরশেদ আলম আদিব নামে এক শিক্ষার্থীকে পুলিশের হেফাজতে দেওয়া হয়েছে। তিনি প্রতিষ্ঠানটির ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের তৃতীয় পর্বের শিক্ষার্থী এবং পলিটেকনিক শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সক্রিয় কর্মী বলে জানিয়েছেন তাঁর সহপাঠীরা।

সোমবার (৩১ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, আদিব তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে নারী ছাত্রাবাসের শিক্ষার্থীদের নিয়ে অশালীন মন্তব্য করে একটি পোস্ট দেন। বিষয়টি সাধারণ শিক্ষার্থীদের নজরে এলে তাঁরা তাঁকে হোস্টেল থেকে আটক করে কলেজ প্রশাসনকে জানান।

পরে কলেজের শিক্ষকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি যাচাই করেন। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদে আদিব অভিযোগের দায় স্বীকার করে সবার কাছে ক্ষমা চান। এরপর তাঁকে পুলিশের হেফাজতে দেওয়া হয়।

ফেনী পলিটেকনিক ছাত্রদলের আহ্বায়ক রুবেল মোঘল বলেন, ঘটনার সময় তিনি ক্যাম্পাসের বাইরে ছিলেন। খবর পেয়ে ক্যাম্পাসে গিয়ে শিক্ষার্থীদের শান্ত করার চেষ্টা করেন এবং বিষয়টি কলেজের শিক্ষকদের অবহিত করেন।

অভিযুক্তের সহপাঠী মুশফিকুর রহমান বলেন, নারী সহপাঠীদের নিয়ে এমন অশালীন মন্তব্য কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তাঁর দাবি, আদিব ক্যাম্পাসে শিবিরের সক্রিয় কর্মী। তিনি অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বহিষ্কারের দাবি জানান।

ফেনী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের উপাধ্যক্ষ রূপক কান্তি বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষার্থী নারী শিক্ষার্থী ও অধ্যক্ষকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য করে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি অভিযোগের দায় স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন।

উপাধ্যক্ষ জানান, শিক্ষার্থীর ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে আপাতত তাঁর বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা অভিযোগ করা হচ্ছে না। তাঁর পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। পরিবার আসার পর তাঁকে তাদের জিম্মায় দেওয়া হবে।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে কলেজ প্রশাসনের সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সভায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে কঠোর প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।