০১:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা পাচ্ছে এপিবিএন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১১:৪৮:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫৪৯ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নকে (এপিবিএন) ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ জন্য ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১৮তম বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রস্তাবিত নতুন আইনে ফৌজদারি অপরাধ তদন্তসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনায় এপিবিএনের ক্ষমতা ও দায়িত্ব স্পষ্ট করা হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধি ও প্রচলিত আইন মেনে এপিবিএনের সদস্যরা সরাসরি ফৌজদারি অপরাধ তদন্ত করতে পারবেন। এর ফলে নির্দিষ্ট অপরাধের তদন্তে বাহিনীটির সদস্যদের আইনগত ভিত্তি আরও সুস্পষ্ট হবে।

খসড়া আইনে এপিবিএনের সদস্যদের বিচারপ্রক্রিয়া ও অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে বিশেষ আদালত গঠনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। পাশাপাশি দ্রুত ও সংক্ষিপ্ত বিচারপ্রক্রিয়ার জন্য ‘সংক্ষিপ্ত আদালত’ গঠনের বিধানও রাখা হয়েছে।

বর্তমানে এপিবিএন পরিচালনায় ১৯৭৯ সালের ‘দ্য আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অর্ডিন্যান্স’ কার্যকর রয়েছে। পুরোনো ওই অধ্যাদেশ বাতিল করে সময়ের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলায় নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত আইনের মাধ্যমে এপিবিএনের কাঠামো, দায়িত্ব ও কার্যক্রমকে আরও যুগোপযোগী করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

নতুন আইনের খসড়ায় এপিবিএনের দায়িত্ব ও কার্যক্ষেত্রও নির্ধারণ করা হয়েছে। পুলিশের একজন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের (অতিরিক্ত আইজিপি) নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত এই বাহিনী জননিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করবে। পাশাপাশি ভিআইপি ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তা এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তায়ও বাহিনীটি দায়িত্ব পালন করবে।

এ ছাড়া সন্ত্রাস, মাদক, মানবপাচার, ধর্ষণ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মতো গুরুতর অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রেও এপিবিএনের ভূমিকা থাকবে। প্রয়োজন অনুযায়ী এসব অপরাধের তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট আইনগত কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ তৈরি হবে নতুন আইনে।

সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এপিবিএনের বর্তমান দায়িত্ব ও কার্যক্রমকে আইনগত কাঠামোর মধ্যে আরও সুসংহত করতেই নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বাহিনীর সদস্যদের শৃঙ্খলা, বিচারপ্রক্রিয়া এবং অপরাধ তদন্তের ক্ষমতার বিষয়ে সুস্পষ্ট বিধান রাখার লক্ষ্য রয়েছে।

লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬’-এর খসড়াটি চূড়ান্ত করা হয়েছে। মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর আইনটি পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এগিয়ে নেওয়া হবে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা পাচ্ছে এপিবিএন

আপডেট সময় : ১১:৪৮:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নকে (এপিবিএন) ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ জন্য ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১৮তম বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রস্তাবিত নতুন আইনে ফৌজদারি অপরাধ তদন্তসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনায় এপিবিএনের ক্ষমতা ও দায়িত্ব স্পষ্ট করা হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধি ও প্রচলিত আইন মেনে এপিবিএনের সদস্যরা সরাসরি ফৌজদারি অপরাধ তদন্ত করতে পারবেন। এর ফলে নির্দিষ্ট অপরাধের তদন্তে বাহিনীটির সদস্যদের আইনগত ভিত্তি আরও সুস্পষ্ট হবে।

খসড়া আইনে এপিবিএনের সদস্যদের বিচারপ্রক্রিয়া ও অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে বিশেষ আদালত গঠনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। পাশাপাশি দ্রুত ও সংক্ষিপ্ত বিচারপ্রক্রিয়ার জন্য ‘সংক্ষিপ্ত আদালত’ গঠনের বিধানও রাখা হয়েছে।

বর্তমানে এপিবিএন পরিচালনায় ১৯৭৯ সালের ‘দ্য আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অর্ডিন্যান্স’ কার্যকর রয়েছে। পুরোনো ওই অধ্যাদেশ বাতিল করে সময়ের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলায় নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত আইনের মাধ্যমে এপিবিএনের কাঠামো, দায়িত্ব ও কার্যক্রমকে আরও যুগোপযোগী করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

নতুন আইনের খসড়ায় এপিবিএনের দায়িত্ব ও কার্যক্ষেত্রও নির্ধারণ করা হয়েছে। পুলিশের একজন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের (অতিরিক্ত আইজিপি) নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত এই বাহিনী জননিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করবে। পাশাপাশি ভিআইপি ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তা এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তায়ও বাহিনীটি দায়িত্ব পালন করবে।

এ ছাড়া সন্ত্রাস, মাদক, মানবপাচার, ধর্ষণ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মতো গুরুতর অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রেও এপিবিএনের ভূমিকা থাকবে। প্রয়োজন অনুযায়ী এসব অপরাধের তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট আইনগত কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ তৈরি হবে নতুন আইনে।

সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এপিবিএনের বর্তমান দায়িত্ব ও কার্যক্রমকে আইনগত কাঠামোর মধ্যে আরও সুসংহত করতেই নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বাহিনীর সদস্যদের শৃঙ্খলা, বিচারপ্রক্রিয়া এবং অপরাধ তদন্তের ক্ষমতার বিষয়ে সুস্পষ্ট বিধান রাখার লক্ষ্য রয়েছে।

লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬’-এর খসড়াটি চূড়ান্ত করা হয়েছে। মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর আইনটি পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এগিয়ে নেওয়া হবে।