০৩:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬

জেআইসিতে তারেক রহমানকে নির্যাতনের তথ্য মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ০১:৪৩:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫৪৬ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টার (জেআইসি) বা ‘আয়নাঘর’ হিসেবে পরিচিত গোপন বন্দিশালায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নির্যাতন করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে ডিজিএফআই সদর দপ্তরে অবস্থিত জেআইসি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে বিচারক, প্রসিকিউশন ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের একটি প্রতিনিধিদল জেআইসি পরিদর্শন করে।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এক-এগারোর সময় তারেক রহমানকে জেআইসির একটি কক্ষে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়। ট্রাইব্যুনালে দেওয়া সাক্ষীদের বক্তব্য এবং তদন্তে পাওয়া তথ্যের সঙ্গে এ ঘটনার মিল পাওয়া গেছে।

তিনি বলেন, বিচার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই জেআইসি পরিদর্শন করা হয়েছে। এই স্থানে মানুষকে ধরে এনে বছরের পর বছর বন্দি রাখা এবং নির্যাতন করা হতো। পরিদর্শনের মাধ্যমে সেই ভয়াবহ পরিস্থিতির কিছুটা ধারণা পাওয়া গেছে।

আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমীসহ অনেক ব্যক্তিকে এই বন্দিশালায় রাখা হয়েছিল। টিএফআই ও জেআইসিতে সংঘটিত গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার চলছে।

তিনি বলেন, দেশে ভবিষ্যতে যেন আর কোনো টিএফআই বা জেআইসির মতো গোপন বন্দিশালা তৈরি না হয়, সে বিষয়ে সরকারকে অনুরোধ জানানো হবে।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, কোনো নাগরিক অপরাধ করলে তাকে আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে। তবে বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে হয়রানির কোনো সুযোগ থাকা উচিত নয়।

তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে বিরোধী মতের রাজনৈতিক নেতা ও ভিন্নমতের ব্যক্তিদের গুম করে এসব বন্দিশালায় রাখার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় জড়িত অনেক কর্মকর্তাকে বিচারের আওতায় আনা হয়েছে এবং তদন্তে যাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

জেআইসিতে তারেক রহমানকে নির্যাতনের তথ্য মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর

আপডেট সময় : ০১:৪৩:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টার (জেআইসি) বা ‘আয়নাঘর’ হিসেবে পরিচিত গোপন বন্দিশালায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নির্যাতন করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে ডিজিএফআই সদর দপ্তরে অবস্থিত জেআইসি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে বিচারক, প্রসিকিউশন ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের একটি প্রতিনিধিদল জেআইসি পরিদর্শন করে।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এক-এগারোর সময় তারেক রহমানকে জেআইসির একটি কক্ষে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়। ট্রাইব্যুনালে দেওয়া সাক্ষীদের বক্তব্য এবং তদন্তে পাওয়া তথ্যের সঙ্গে এ ঘটনার মিল পাওয়া গেছে।

তিনি বলেন, বিচার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই জেআইসি পরিদর্শন করা হয়েছে। এই স্থানে মানুষকে ধরে এনে বছরের পর বছর বন্দি রাখা এবং নির্যাতন করা হতো। পরিদর্শনের মাধ্যমে সেই ভয়াবহ পরিস্থিতির কিছুটা ধারণা পাওয়া গেছে।

আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমীসহ অনেক ব্যক্তিকে এই বন্দিশালায় রাখা হয়েছিল। টিএফআই ও জেআইসিতে সংঘটিত গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার চলছে।

তিনি বলেন, দেশে ভবিষ্যতে যেন আর কোনো টিএফআই বা জেআইসির মতো গোপন বন্দিশালা তৈরি না হয়, সে বিষয়ে সরকারকে অনুরোধ জানানো হবে।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, কোনো নাগরিক অপরাধ করলে তাকে আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে। তবে বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে হয়রানির কোনো সুযোগ থাকা উচিত নয়।

তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে বিরোধী মতের রাজনৈতিক নেতা ও ভিন্নমতের ব্যক্তিদের গুম করে এসব বন্দিশালায় রাখার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় জড়িত অনেক কর্মকর্তাকে বিচারের আওতায় আনা হয়েছে এবং তদন্তে যাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।