০১:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তথ্য সংগ্রহ করছে পুলিশ

শাহীন আবদুল বারী
  • আপডেট সময় : ১২:৩২:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৩৪ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছে পুলিশ। ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের রাজনৈতিক পরিচয়, জনপ্রিয়তা, অতীত নির্বাচনী তথ্য ও মামলা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) এবং সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের মাধ্যমে এসব তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

২১ ধরনের তথ্য নেওয়া হচ্ছে

বিভিন্ন জেলার পুলিশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জাতীয় নির্বাচনসহ বিভিন্ন নির্বাচনের আগে সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে তালিকা প্রস্তুত করা হয়। এবারও স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে।

থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা (ওসি) জানান, জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার নির্দেশনায় নির্ধারিত ছকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তথ্য নেওয়া হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ শেষ হলে সেগুলো যাচাই-বাছাই করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সংগৃহীত তথ্য পুলিশের ‘পলিটিক্যালি এক্সপোসড পার্সন’ (পিইপি) সফটওয়্যারে সংরক্ষণ করা হবে।

তথ্য ফরমে সম্ভাব্য প্রার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, পূর্ণ নাম ও ডাকনাম, বাবা-মায়ের নাম, স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা, জন্মতারিখ, পাসপোর্ট নম্বর, ই-মেইল, পেশা ও মোবাইল নম্বর নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি নিকটতম সহযোগীর নাম ও মোবাইল নম্বর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম, শিক্ষাগত যোগ্যতা, ডিগ্রি, পাসের সাল ও বোর্ডের তথ্যও সংগ্রহ করা হচ্ছে।

আগের নির্বাচন ও রাজনৈতিক পরিচয়ের তথ্য

সম্ভাব্য কোনো প্রার্থী আগে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন কি না, অংশ নিলে কোন নির্বাচনে ছিলেন, ফলাফল কী হয়েছিল এবং কত ভোট পেয়েছিলেন—এসব তথ্যও ফরমে রাখা হচ্ছে।

এ ছাড়া প্রার্থীর রাজনৈতিক দলের নাম, দলীয় পদ, পদে থাকার মেয়াদ, মাঠপর্যায়ে জনপ্রিয়তার মাত্রা, ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিক এবং কোনো মামলা রয়েছে কি না, সেই তথ্যও নেওয়া হচ্ছে। সম্ভাব্য প্রার্থীর ছবিও সংগ্রহ করা হচ্ছে।

পুলিশ কর্মকর্তা ও সম্ভাব্য কয়েকজন প্রার্থীর সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য সংগ্রহের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

মাঠে বিএনপি-জামায়াতের প্রার্থীদের তৎপরতা

কয়েকজন ওসি জানিয়েছেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা পাওয়ার পর তারা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তথ্য সংগ্রহ করছেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, মাঠপর্যায়ে বিএনপি ও জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা বেশি দেখা যাচ্ছে।

পুলিশের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা জানান, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিষয়ে তথ্য পাওয়া তুলনামূলকভাবে কঠিন হচ্ছে। তাদের দাবি, সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের অনেকে আত্মগোপনে থাকায় মাঠে তাদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা যাচ্ছে না।

নিরাপত্তার কারণে তথ্য সংগ্রহ: নির্বাচন কমিশন

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে, এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচন ভিন্ন রাজনৈতিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। একটি রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবং সক্রিয় অন্যান্য দলগুলোর নেতাকর্মীরা নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ায় নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এ কারণে সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

তবে সূত্রগুলো বলছে, অতীতে বিরোধী দলের প্রার্থীদের হয়রানি, মামলা দেওয়া বা প্রচারে বাধা দেওয়ার মতো কাজে তথ্য ব্যবহারের অভিযোগ ছিল। বর্তমান সময়ে তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

প্রার্থীদের নির্বিঘ্নে প্রচারের পরিবেশ নিশ্চিতের আশ্বাস

গত ১০ সেপ্টেম্বর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে না হলেও কোনো প্রার্থী কোন রাজনৈতিক মতাদর্শের সঙ্গে যুক্ত, তা স্থানীয়ভাবে ভোটারদের কাছে পরিচিত হতে পারে।

তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী যোগ্যতা থাকা যেকোনো বৈধ প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। প্রার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারেন এবং ভোটাররা যাতে স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারেন, সে পরিবেশ নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন থেকে কেন্দ্রীয় প্রশাসন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে বলেও জানান তিনি।

৬ জুনের মধ্যে ইউনিয়ন নির্বাচন শেষ করার পরিকল্পনা

সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন সাত ধাপে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা এবং সম্ভাব্য সময়সূচি জানিয়েছিল। প্রাথমিকভাবে প্রথম ধাপের নির্বাচন ১২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা বলা হয়েছিল।

তবে গত ১৭ সেপ্টেম্বর এক ব্রিফিংয়ে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, আগামী ৬ জুনের আগে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করতে নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ একমত হয়েছে।

সবকিছু ঠিক থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান তিনি।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তথ্য সংগ্রহ করছে পুলিশ

আপডেট সময় : ১২:৩২:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছে পুলিশ। ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের রাজনৈতিক পরিচয়, জনপ্রিয়তা, অতীত নির্বাচনী তথ্য ও মামলা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) এবং সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের মাধ্যমে এসব তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

২১ ধরনের তথ্য নেওয়া হচ্ছে

বিভিন্ন জেলার পুলিশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জাতীয় নির্বাচনসহ বিভিন্ন নির্বাচনের আগে সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে তালিকা প্রস্তুত করা হয়। এবারও স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে।

থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা (ওসি) জানান, জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার নির্দেশনায় নির্ধারিত ছকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তথ্য নেওয়া হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ শেষ হলে সেগুলো যাচাই-বাছাই করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সংগৃহীত তথ্য পুলিশের ‘পলিটিক্যালি এক্সপোসড পার্সন’ (পিইপি) সফটওয়্যারে সংরক্ষণ করা হবে।

তথ্য ফরমে সম্ভাব্য প্রার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, পূর্ণ নাম ও ডাকনাম, বাবা-মায়ের নাম, স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা, জন্মতারিখ, পাসপোর্ট নম্বর, ই-মেইল, পেশা ও মোবাইল নম্বর নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি নিকটতম সহযোগীর নাম ও মোবাইল নম্বর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম, শিক্ষাগত যোগ্যতা, ডিগ্রি, পাসের সাল ও বোর্ডের তথ্যও সংগ্রহ করা হচ্ছে।

আগের নির্বাচন ও রাজনৈতিক পরিচয়ের তথ্য

সম্ভাব্য কোনো প্রার্থী আগে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন কি না, অংশ নিলে কোন নির্বাচনে ছিলেন, ফলাফল কী হয়েছিল এবং কত ভোট পেয়েছিলেন—এসব তথ্যও ফরমে রাখা হচ্ছে।

এ ছাড়া প্রার্থীর রাজনৈতিক দলের নাম, দলীয় পদ, পদে থাকার মেয়াদ, মাঠপর্যায়ে জনপ্রিয়তার মাত্রা, ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিক এবং কোনো মামলা রয়েছে কি না, সেই তথ্যও নেওয়া হচ্ছে। সম্ভাব্য প্রার্থীর ছবিও সংগ্রহ করা হচ্ছে।

পুলিশ কর্মকর্তা ও সম্ভাব্য কয়েকজন প্রার্থীর সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য সংগ্রহের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

মাঠে বিএনপি-জামায়াতের প্রার্থীদের তৎপরতা

কয়েকজন ওসি জানিয়েছেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা পাওয়ার পর তারা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তথ্য সংগ্রহ করছেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, মাঠপর্যায়ে বিএনপি ও জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা বেশি দেখা যাচ্ছে।

পুলিশের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা জানান, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিষয়ে তথ্য পাওয়া তুলনামূলকভাবে কঠিন হচ্ছে। তাদের দাবি, সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের অনেকে আত্মগোপনে থাকায় মাঠে তাদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা যাচ্ছে না।

নিরাপত্তার কারণে তথ্য সংগ্রহ: নির্বাচন কমিশন

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে, এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচন ভিন্ন রাজনৈতিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। একটি রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবং সক্রিয় অন্যান্য দলগুলোর নেতাকর্মীরা নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ায় নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এ কারণে সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

তবে সূত্রগুলো বলছে, অতীতে বিরোধী দলের প্রার্থীদের হয়রানি, মামলা দেওয়া বা প্রচারে বাধা দেওয়ার মতো কাজে তথ্য ব্যবহারের অভিযোগ ছিল। বর্তমান সময়ে তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

প্রার্থীদের নির্বিঘ্নে প্রচারের পরিবেশ নিশ্চিতের আশ্বাস

গত ১০ সেপ্টেম্বর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে না হলেও কোনো প্রার্থী কোন রাজনৈতিক মতাদর্শের সঙ্গে যুক্ত, তা স্থানীয়ভাবে ভোটারদের কাছে পরিচিত হতে পারে।

তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী যোগ্যতা থাকা যেকোনো বৈধ প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। প্রার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারেন এবং ভোটাররা যাতে স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারেন, সে পরিবেশ নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন থেকে কেন্দ্রীয় প্রশাসন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে বলেও জানান তিনি।

৬ জুনের মধ্যে ইউনিয়ন নির্বাচন শেষ করার পরিকল্পনা

সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন সাত ধাপে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা এবং সম্ভাব্য সময়সূচি জানিয়েছিল। প্রাথমিকভাবে প্রথম ধাপের নির্বাচন ১২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা বলা হয়েছিল।

তবে গত ১৭ সেপ্টেম্বর এক ব্রিফিংয়ে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, আগামী ৬ জুনের আগে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করতে নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ একমত হয়েছে।

সবকিছু ঠিক থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান তিনি।