গাজা দখলে ৩৭ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ দিল ইসরায়েল
- আপডেট সময় : ০৩:২৪:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৪১ বার পড়া হয়েছে
ইসরায়েলের অধিকৃত পশ্চিম তীরে ৭০টির বেশি ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পরিকল্পনায় ১১৩ মিলিয়ন শেকেল (প্রায় ৩৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) বরাদ্দ অনুমোদন করেছে দেশটির সরকার। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সরকারি এক স্টিয়ারিং কমিটির সভায় এ ঘোষণা দেন অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ।
এই বরাদ্দ গত মে মাসে অনুমোদিত ২৫০ মিলিয়ন শেকেলের বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ। কমিটির তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলের বসতি স্থাপনবিষয়ক মন্ত্রণালয় সরাসরি ১৫৭ মিলিয়ন শেকেল (প্রায় ৫২ মিলিয়ন ডলার) পাবে। এছাড়া আরও ১৪২ মিলিয়ন শেকেল (প্রায় ৪৭ মিলিয়ন ডলার) অতিরিক্ত অর্থায়নের প্রতিশ্রুতিও অনুমোদন করা হয়েছে।
একই দিনে ইসরায়েলের পার্লামেন্টের অর্থ কমিটি পৃথকভাবে বসতি স্থাপনবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জন্য আরও প্রায় ৩০০ মিলিয়ন শেকেল বরাদ্দ অনুমোদন করেছে।
অর্থমন্ত্রী স্মোটরিচ বলেন, এই অর্থ নতুন দর্শনার্থী কেন্দ্র ও গবেষণা কেন্দ্র নির্মাণে ব্যয় করা হবে। তিনি এ উদ্যোগকে ‘জায়নবাদী পদক্ষেপ’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
বিশ্লেষকদের মতে, ফিলিস্তিনিদের ভূমি ও সম্পত্তির ওপর রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদারের লক্ষ্যেই দীর্ঘদিন ধরে এসব প্রত্নস্থলকে ইহুদি ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে উপস্থাপন করছে ইসরায়েল।
যদিও পরিকল্পনার আওতায় থাকা স্থানগুলোর পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হয়নি, ফিলিস্তিনি গণমাধ্যমের দাবি, এর অন্যতম লক্ষ্য বেথলেহেমের দক্ষিণে অবস্থিত সলোমনস পুলস (Solomon’s Pools) এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেওয়া।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২২ সাল থেকে বসতি স্থাপনবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পশ্চিম তীরে ১০৪টি বসতি এবং ১৬০টি আউটপোস্ট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিগুলো অবৈধ হিসেবে বিবেচিত।
এদিকে চলতি বছর পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর ১১ হাজারের বেশি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেও অবৈধ বসতি সম্প্রসারণে ধারাবাহিকভাবে অর্থ বরাদ্দ দিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল।
সূত্র: আল জাজিরা।


























