শাহরুখের ‘কয়লা’র ব্যর্থতায় সব হারিয়েছিলেন রাকেশ রোশন
- আপডেট সময় : ১২:৫৩:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৪৩ বার পড়া হয়েছে
শাহরুখ খানের সিনেমা মানেই বক্স অফিসে সাফল্যের প্রত্যাশা। তবে তাঁর ক্যারিয়ারেও ছিল কিছু ব্যতিক্রম। ১৯৯৭ সালে মুক্তি পাওয়া অ্যাকশনধর্মী সিনেমা ‘কয়লা’ ছিল তেমনই একটি ছবি। রাকেশ রোশন পরিচালিত এই সিনেমায় বোবা এক তরুণের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন শাহরুখ খান। তাঁর বিপরীতে ছিলেন মাধুরী দীক্ষিত। মুক্তির আগে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হলেও সিনেমাটি প্রত্যাশিত ব্যবসা করতে পারেনি।
এই ব্যর্থতার প্রভাব পড়েছিল পরিচালক রাকেশ রোশনের ব্যক্তিগত জীবনেও। দীর্ঘদিন পর এক সাক্ষাৎকারে ছেলে হৃতিক রোশন জানিয়েছিলেন, ‘কয়লা’র ব্যর্থতার পর পরিবারকে কঠিন আর্থিক সংকটের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল।
হৃতিকের ভাষ্য অনুযায়ী, সিনেমাটির ক্ষতির পর তাঁর বাবা নিজের উপার্জনের বড় অংশ হারিয়ে ফেলেছিলেন। সেই সময়ের একটি ঘটনা আজও মনে আছে তাঁর। এক সকালে তিনি বাবাকে বলতে শুনেছিলেন, ‘আমি সব হারিয়ে ফেলেছি।’ জীবনে প্রথমবার বাবার চোখে পানি দেখেছিলেন বলেও জানিয়েছিলেন হৃতিক।
তবে ‘কয়লা’র ব্যর্থতাই রাকেশ রোশনের ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায় হয়ে থাকেনি। এর কয়েক বছর পর ২০০০ সালে ছেলে হৃতিক রোশনকে নায়ক করে নির্মাণ করেন ‘কাহো না… পেয়ার হ্যায়’। সিনেমাটি মুক্তির পর ব্যাপক সাফল্য পায় এবং রাতারাতি তারকা হয়ে ওঠেন হৃতিক।
এরপর ‘কোই… মিল গয়া’ ও ‘কৃষ’ ফ্র্যাঞ্চাইজির মতো সফল সিনেমার মাধ্যমে পরিচালক হিসেবে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেন রাকেশ রোশন।
‘কয়লা’র ব্যর্থতা থেকে ‘কাহো না… পেয়ার হ্যায়’-এর সাফল্য—রাকেশ রোশনের এই পথচলা দেখিয়েছে, বড় ধাক্কাও একজন সৃষ্টিশীল মানুষকে থামিয়ে দিতে পারে না। ব্যর্থতার পরও পরিশ্রম ও আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে নতুনভাবে ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব।


























