দীর্ঘ ৩৫ বছর পর ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হতে যাচ্ছে নতুন রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিতে এমপিদের ৯ নির্দেশনা
- আপডেট সময় : ১১:১৯:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৩৩ বার পড়া হয়েছে
সাংবিধানিক নিয়ম রক্ষায় দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আজ বৃহস্পতিবার। দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনে চলবে ভোটগ্রহণ। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি পদে ভোটাভুটির মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।
১৯৯১ সালের পর এবারই প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিচ্ছেন সংসদ সদস্যরা। এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ, বীর বিক্রম।
নির্বাচন সামনে রেখে সংসদ সদস্যদের ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে ৯ দফা নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসির ৯ নির্দেশনা
১. নির্ধারিত সময়ে সংসদ কক্ষে প্রবেশ
২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে সংসদ কক্ষে প্রবেশ করে ব্যালট সংগ্রহ করে ভোট দিতে হবে। নির্ধারিত সময় পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে।
২. সঙ্গে রাখতে হবে আইডি কার্ড
সংসদ কক্ষে প্রবেশের সময় সংসদ সচিবালয় থেকে সরবরাহ করা পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে হবে।
৩. ব্যালট সংগ্রহের নিয়ম
নিজ আসনে বসার পর সহায়তাকারী কর্মকর্তার কাছ থেকে নিজের নাম ও বিভক্তি নম্বর সংবলিত ব্যালট পেপার নিতে হবে। ব্যালটের কাউন্টার ফয়েল বা চেকমুড়িতে নির্ধারিত স্থানে পূর্ণ নাম লিখে তা কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হবে।
৪. পছন্দের প্রার্থীকে ভোট
ব্যালটের নির্ধারিত স্থানে পছন্দের প্রার্থীর নামের বিপরীতে ভোট প্রদান করতে হবে।
৫. ব্যালট বাক্সে জমা
ভোট দেওয়া শেষে ব্যালট পেপার সংসদ কক্ষে রাখা নির্ধারিত ব্যালট বাক্সে ফেলতে হবে।
৬. ব্যালট নষ্ট হলে করণীয়
কোনো কারণে ব্যালট পেপার নষ্ট হলে তা বাক্সে দেওয়ার আগে নির্বাচনকর্তার কাছে দেখাতে হবে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন নির্বাচনকর্তা।
৭. প্রচার-প্রচারণা নিষিদ্ধ
ভোটগ্রহণের সময় সংসদ সদস্যদের কোনো ধরনের নির্বাচনী প্রচার, বক্তব্য বা ভাষণ দেওয়া যাবে না।
৮. সমস্যায় চিফ হুইপের সহায়তা নিতে হবে
ভোট দেওয়ার সময় কোনো সমস্যার সৃষ্টি হলে চিফ হুইপ ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের সহায়তা নিতে হবে।
৯. পূর্ণ নাম লিখতে হবে
ব্যালটে যেখানে ভোটারের পূর্ণ স্বাক্ষরের কথা বলা হয়েছে, সেখানে পূর্ণ নাম লিখতে হবে।
ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই শুরু হবে গণনা। কতজন ভোট দিয়েছেন, কতটি ব্যালট বৈধ বা বাতিল হয়েছে এবং কতটি ব্যালট অব্যবহৃত রয়েছে—এসব হিসাব শেষে প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোট গণনা করা হবে। সর্বোচ্চ বৈধ ভোট পাওয়া প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করবেন নির্বাচনকর্তা। পরে নির্বাচন কমিশন থেকে ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হবে।
এর আগে গত ২৪ জুলাই অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। পরে ৬ আগস্ট শূন্য পদে নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ১৩ আগস্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাই শেষে দুই প্রার্থীর মনোনয়নই বৈধ ঘোষণা করা হয়।




















