০৫:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬

নাগরিকদের সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করছে ইরান

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৫:১৪:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৩১ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইরানের সেনাবাহিনী সাধারণ নাগরিকদের দেশের প্রতিরক্ষার জন্য প্রস্তুত করতে প্রাথমিক সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করছে। ‘জানফাদা’ নামের এই কর্মসূচির আওতায় স্বেচ্ছাসেবী বেসামরিক নাগরিকদের সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

ওয়েস্ট এশিয়া নিউজ এজেন্সির (ডব্লিউএএনএ) বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আজের নিউজ।

ইরানি সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা বিষয়ক উপপ্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ রেজা আলিয়ন-নেজাদ জানিয়েছেন, তেহরানের নির্ধারিত তিনটি কেন্দ্রে ‘জানফাদা’ কর্মসূচি শুরু হবে। সেখানে ইরানের সেনাবাহিনীর চারটি শাখার সদস্যদের ফিল্ড-ব্যারাক কেন্দ্রগুলোতে মোতায়েন করা হবে।

প্রাথমিক থেকে উন্নত সামরিক প্রশিক্ষণ

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া বেসামরিক স্বেচ্ছাসেবকদের প্রথমে প্রাথমিক সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এরপর তাদের তুলনামূলকভাবে উন্নত সামরিক কোর্সে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।

আলিয়ন-নেজাদের ভাষ্য অনুযায়ী, দেশের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষার প্রয়োজন দেখা দিলে যাতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এসব নাগরিককে কাজে লাগানো যায়, সে লক্ষ্যেই তাদের মৌলিক সামরিক জ্ঞান দেওয়া হচ্ছে।

তবে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মেয়াদ কত দিন হবে, কতজন স্বেচ্ছাসেবক এতে অংশ নেবেন এবং ভবিষ্যতে তেহরানের বাইরে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে এই কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হবে কি না—এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।

হামলার পর সামরিক প্রস্তুতি জোরদার

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অতর্কিত হামলার পর থেকেই সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে ইরান। এর অংশ হিসেবে সাধারণ নাগরিকদের মধ্য থেকে স্বেচ্ছাসেবক আহ্বান করা হয়।

ইরান সরকারের দাবি, ওই আহ্বানে প্রাথমিকভাবে ১ কোটি ৪০ লাখ থেকে ৩ কোটি ১০ লাখ মানুষ সাড়া দিয়েছে। তাদের মধ্যে অন্তত ৬ লাখ স্বেচ্ছাসেবক ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) ও বাসিজ বাহিনীর সঙ্গে প্রশিক্ষণে অংশ নিতে পারেন বলে জানা গেছে।

নতুন এই কর্মসূচির মাধ্যমে ইরান একদিকে সাধারণ নাগরিকদের সামরিক প্রস্তুতি বাড়াতে চাইছে, অন্যদিকে সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবকভিত্তিক জনবল গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

নাগরিকদের সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করছে ইরান

আপডেট সময় : ০৫:১৪:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

ইরানের সেনাবাহিনী সাধারণ নাগরিকদের দেশের প্রতিরক্ষার জন্য প্রস্তুত করতে প্রাথমিক সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করছে। ‘জানফাদা’ নামের এই কর্মসূচির আওতায় স্বেচ্ছাসেবী বেসামরিক নাগরিকদের সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

ওয়েস্ট এশিয়া নিউজ এজেন্সির (ডব্লিউএএনএ) বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আজের নিউজ।

ইরানি সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা বিষয়ক উপপ্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ রেজা আলিয়ন-নেজাদ জানিয়েছেন, তেহরানের নির্ধারিত তিনটি কেন্দ্রে ‘জানফাদা’ কর্মসূচি শুরু হবে। সেখানে ইরানের সেনাবাহিনীর চারটি শাখার সদস্যদের ফিল্ড-ব্যারাক কেন্দ্রগুলোতে মোতায়েন করা হবে।

প্রাথমিক থেকে উন্নত সামরিক প্রশিক্ষণ

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া বেসামরিক স্বেচ্ছাসেবকদের প্রথমে প্রাথমিক সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এরপর তাদের তুলনামূলকভাবে উন্নত সামরিক কোর্সে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।

আলিয়ন-নেজাদের ভাষ্য অনুযায়ী, দেশের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষার প্রয়োজন দেখা দিলে যাতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এসব নাগরিককে কাজে লাগানো যায়, সে লক্ষ্যেই তাদের মৌলিক সামরিক জ্ঞান দেওয়া হচ্ছে।

তবে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মেয়াদ কত দিন হবে, কতজন স্বেচ্ছাসেবক এতে অংশ নেবেন এবং ভবিষ্যতে তেহরানের বাইরে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে এই কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হবে কি না—এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।

হামলার পর সামরিক প্রস্তুতি জোরদার

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অতর্কিত হামলার পর থেকেই সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে ইরান। এর অংশ হিসেবে সাধারণ নাগরিকদের মধ্য থেকে স্বেচ্ছাসেবক আহ্বান করা হয়।

ইরান সরকারের দাবি, ওই আহ্বানে প্রাথমিকভাবে ১ কোটি ৪০ লাখ থেকে ৩ কোটি ১০ লাখ মানুষ সাড়া দিয়েছে। তাদের মধ্যে অন্তত ৬ লাখ স্বেচ্ছাসেবক ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) ও বাসিজ বাহিনীর সঙ্গে প্রশিক্ষণে অংশ নিতে পারেন বলে জানা গেছে।

নতুন এই কর্মসূচির মাধ্যমে ইরান একদিকে সাধারণ নাগরিকদের সামরিক প্রস্তুতি বাড়াতে চাইছে, অন্যদিকে সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবকভিত্তিক জনবল গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে।